kalerkantho

শনিবার । ২০ আষাঢ় ১৪২৭। ৪ জুলাই ২০২০। ১২ জিলকদ  ১৪৪১

রবীন্দ্র পুরস্কার

৩১ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রবীন্দ্র পুরস্কার

[একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা সাহিত্যপাঠ বইয়ের তাজমহল প্রবন্ধে রবীন্দ্র পুরস্কারের কথা উল্লেখ আছে]

ঢাকার বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে। রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে সর্বশেষ রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। সে বছর তিনজনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তাঁরা হচ্ছেন অধ্যাপক সফিউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক বেগম আকতার কামাল এবং শিল্পী ইকবাল আহমেদ। এর আগে যাঁরা এই পুরস্কার পেয়েছিলেন তাঁরা হলেন শিল্পী কলিম শরাফী এবং অধ্যাপক ড. সন্জীদা খাতুন (২০১০) ; জনাব আহমদ রফিক এবং শিল্পী অজিত রায় (২০১১) ; অধ্যাপক আনিসুর রহমান, শিল্পী ফাহমিদা খাতুন এবং শিল্পী ইফ্ফাত আরা দেওয়ান (২০১২) ; অধ্যাপক ড. করুণাময় গোস্বামী এবং শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার (২০১৩) ; জনাব মনজুরে মওলা এবং শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা (২০১৪); অধ্যাপক সনত্কুমার সাহা এবং সাদী মহম্মদ (২০১৫); সৈয়দ আকরম হোসেন এবং শিল্পী তপন মাহমুদ (২০১৬) অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ এবং মিতা হক (২০১৭), জনাব আবুল মোমেন এবং শিল্পী ফাহিম হোসেন চৌধুরী (২০১৮)।

উল্লেখ্য, রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার নামে পশ্চিমবঙ্গেও একটি পুরস্কারের প্রচলন আছে। এটি সেখানকার সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫০ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। পুরস্কারটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাডেমি এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ১৯৫০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত কোনো একটি বিশেষ গ্রন্থ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ এক বা একাধিক লেখককে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।  ১৯৮৩ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সাহিত্য ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে সারা জীবনের অবদানের নিরিখে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০০৪ ও ২০০৫ সালে আবার  বিশেষ গ্রন্থ রচনার জন্য একাধিক লেখককে এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। ২০০৬ থেকে পুনরায় লেখকদের সারা জীবনের অবদানের নিরিখে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।     

 ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল  

মন্তব্য