kalerkantho

মঙ্গলবার  । ২০ শ্রাবণ ১৪২৭। ৪ আগস্ট  ২০২০। ১৩ জিলহজ ১৪৪১

স্যার টিমোথি জন

২৩ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্যার টিমোথি জন

[নবম-দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে স্যার টিমোথি জনের কথা উল্লেখ আছে]

.স্যার টিমোথি জন ছিলেন একজন ব্রিটিশ পদার্থবিদ, কম্পিউটারবিজ্ঞানী, MIT অধ্যাপক। পাশাপাশি তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের পরিচালক। তিনি টিম বার্নার্স-লি নামেও পরিচিত। ৮ জুন ১৯৫৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন এবং জাতীয়তায় তিনি ব্রিটিশ।

শিক্ষাজীবনের শুরুতে তিনি শিন মাউন্ট প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন এবং পরবর্তীকালে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের এমানুয়েল স্কুলে শিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক পড়াশোনা করেন এবং প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন।

স্যার টিমোথি জন ১৯৮০ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সার্নে কর্মরত ছিলেন। সার্ন হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কণা পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণাগার, যা জেনেভা শহরের পশ্চিমে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার সীমান্তে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে তিনি পুনরায় সার্নে যোগদান করেন। তিনি ১৯৮৯ সালে ওয়েবের ধারণা দেন। তখন তিনি CERN ল্যাবে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর লক্ষ ছিল কিভাবে একটি কম্পিউটারে তথ্য রেখে তা অন্য কম্পিউটার থেকে অ্যাকসেস করা যায়। এই ধারণা থেকেই ওয়েবের উদ্ভব হয়। তিনি পরবর্তীকালে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরি করেন।

স্যার টিমোথি জন ১৯৯০ সালে আমেরিকান কম্পিউটার প্রগ্রামার ন্যান্সি কার্লসনকে বিয়ে করেন। ২০১১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হলে ২০১৪ সালে তিনি লন্ডনে রোজমেরি লেথের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়েতে আবদ্ধ হন। লেথ ছিলেন কানাডার ইন্টারনেট ও ব্যাংকিং উদ্যোক্তা।

টিমোথি জন ২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং ২০১১ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট অব সায়েন্স সম্মাননা লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে অর্ডার অব মেরিট, নাইট কমান্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার, ফেলো অব দ্য রয়েল সোসাইটি, ফেলো অব দ্য রয়েল একাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ফেলো অব দ্য রয়েল সোসাইটি অব আর্টস প্রভৃতি সম্মাননা লাভ করেন।

► ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল         

মন্তব্য