kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নেপোলিয়ন বোনাপার্ট

[একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা বইয়ের বিড়াল প্রবন্ধে নেপোলিয়নের কথা উল্লেখ আছে]

‘আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেব’ এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তাঁর নাম নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। বিশ্বের বিখ্যাত সমরনায়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ১৭৬৯ সালে তাঁর জন্ম হয় ফ্রান্সের করসিকা দ্বীপে। জন্ম ফ্রান্সে হলেও তিনি ঠিক বানানে ফ্রেঞ্চ লিখতে পারতেন না। কথা বলতেন ফ্রেঞ্চ ভাষায়, কিন্তু তাতে থাকত করসিকার টান।

ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছিলেন নিপোলিয়ন। অঙ্ক, ভূগোল ও ইতিহাস বিষয়ে অগাধ জ্ঞান ছিল তাঁর। পড়াশোনা করেছেন আর্টিলারি নিয়ে। ১৭৮৫ সালে স্নাতক শেষ করে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগ দেন। ১৭৯২ সালে হন আর্মির ক্যাপ্টেন। এরপর অনেক অভিযানেই অংশ নেন তিনি। দখল করেন ইউরোপের বেশিরভাগ অঞ্চল।

১৭৯৮ সালে তিনি তাঁর বাহিনীকে নিয়ে মিসর অভিমুখে যাত্রা করেন। তিনি মিসর পৌঁছালে তাঁর বাহিনীকে মিসরের মামলুক বাহিনী আক্রমণ করে। এতে নিপোলিয়নের বাহিনী জয় পায়।

১৮০৪ সালে তিনি নিজেকে সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন। ১৮০৪ সাল থেকে ১৮১৪ সাল পর্যন্ত তিনি ফ্রান্সের সমাট ছিলেন। তাঁর অধীনে ফ্রান্স ছিল খুবই শক্তিশালী। ১৮১২ সালে তিনি রাশিয়া আক্রমণ করেন এবং খুব বাজেভাবে পরাজিত হন।

পরের বছর তাঁর নিজের দেশ ফ্রান্সই আক্রান্ত হয়। অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইডেন, স্পেন ও জার্মান রাজ্যগুলো মিলে একসঙ্গে ফ্রান্স আক্রমণ করে। এতে ফ্রান্স পরাজিত হয়। পরে ইতালির এলবা দ্বীপে নেপোলিয়নকে নির্বাসনে দেওয়া হয়। ১০ মাস পর পালিয়ে গিয়ে আবার ক্ষমতা দখল করেন; কিন্তু ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন এবং তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। ১৮২১ সালে ওখানেই মৃত্যু হয় নেপোলিয়নের।

►আব্দুর রাজ্জাক

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা