kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

গণেশ

[একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা সাহিত্যপাঠ বইয়ের ‘অপরিচিতা’ গল্পে গণেশের কথা উল্লেখ আছে]

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল    

৫ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গণেশ

গণেশ হলেন হিন্দুধর্মের সর্বাধিক পরিচিত ও পূজিত দেবতাদের অন্যতম। তিনি গণপতি, গজপতি, বিঘ্নেশ্বর ইত্যাদি নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের  হিন্দু সমপ্রদায়েরই গণেশ পূজার প্রচলন আছে।

গণেশ শব্দটি সংস্কৃত গণ ও ঈশ শব্দ দুটি থেকে এসেছে। গণ শব্দের অর্থ একটি গোষ্ঠী বা শ্রেণি এবং ঈশ শব্দের অর্থ ঈশ্বর বা প্রভু। অর্থাৎ গণেশ হচ্ছেন এক শ্রেণির বা গোষ্ঠীর ঈশ্বর। হিন্দুশাস্ত্র মতে, তিনি হলেন শিব-পার্বতীর সন্তান। গণেশের কার্তিক নামে একজন ভাই এবং লক্ষ্মী ও সরস্বতী নামে দুজন বোন আছে।

গণেশের কথা প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় প্রাচীনতম হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ঋগ্বেদে। বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে গণেশসংক্রান্ত একাধিক পৌরাণিক উপাখ্যান পাওয়া যায়। এই উপাখ্যানগুলো থেকে গণেশের জন্ম বৃত্তান্ত, লীলাকথা ও তাঁর স্বতন্ত্র মূর্তিতত্ত্বের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। হিন্দুরা গণেশকে প্রথম পূজ্য দেবতা বলে মনে করেন। এ ছাড়া যেকোনো পূজা-পার্বণ বা ধর্মীয় উৎসব গণেশের পূজার মধ্য দিয়েই আরম্ভ হয়। আবার শ্রীগণেশকে বলা হয় মঙ্গলমূর্তি। তাঁকে বিঘ্ননাশকারী, শিল্প ও বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক এবং বুদ্ধি ও জ্ঞানের দেবতা রূপেও পূজা করা হয়। তাঁর পূজার মাধ্যমে সর্ব প্রকার মঙ্গল ঘটে।

যেকোনো কাজে সমৃদ্ধি তথা সিদ্ধি দান করেন গণেশ। এ ছাড়া বুদ্ধিভ্রষ্ট মানুষকে বুদ্ধি দান করেন তিনি। তাই গণেশ চতুর্থীর পূজা উপলক্ষে ভগবানের আরাধনার সঙ্গে সঙ্গে উদ্‌যাপন করা হয় সুখ ও সমৃদ্ধিকেও। বাড়িতে গণেশ পূজা করলে সেখানে সুখশান্তি যেমন বজায় থাকে, তেমনই প্রবেশ করতে পারে না বিপদও। বাংলাদেশে বৈশাখ মাসের প্রথম দিন বিভিন্ন হিন্দু দোকানে গণেশ পূজা করতে দেখা যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা