kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

সেন্ট হেলেনা দ্বীপ

২৯ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেন্ট হেলেনা দ্বীপ

[একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা সাহিত্যপাঠ বইয়ের বিড়াল গল্পে সেন্ট হেলেনা দ্বীপের কথা উল্লেখ আছে]

সেন্ট হেলেনা যুক্তরাজ্যের অন্তর্গত দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ। রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়। দ্বীপটি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের প্রায় ১,৯৫০ কিলোমিটার (১,২১০ মাইল) এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলবর্তী শহর রিও ডি জেনেইরো থেকে ৪,০০০ কিলোমিটার (২,৫০০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত।

১৫০২ সালে পর্তুগিজরা এটি  আবিষ্কার করে। সে সময় দ্বীপটিতে কোনো বসতি ছিল না। এটি বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত দ্বীপ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইউরোপে জাহাজ চলাচলকারীদের যাত্রাবিরতির জন্য দ্বীপটি ব্যবহৃত হতো। একসময় ব্রিটিশরা এ দ্বীপে কয়েদিদের নির্বাসনে পাঠাত।

১৬৫৯ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি এই দ্বীপে জেমস টাউন নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে এই শহরটিই সেন্ট হেলেনার রাজধানী। ১৮১৫ সালে ওয়াটারলুর যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর নেপোলিয়নকে এই দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। ১৮২১ সালে এই দ্বীপেই মারা যান তিনি।

১৮৩৪ সালে সেন্ট হেলেনা ক্রাউন উপনিবেশে পরিণত হওয়ার পরে ১৮৩৬ সালে প্রথম গভর্নর নিযুক্ত হন মেজর জেনারেল জর্জ মিডলমোর। আটটি অঞ্চলে বিভক্ত দ্বীপটির বর্তমান গভর্নর ফিলিপ রাশব্রুক। ২০১৯ সাল থেকে তিনি ৩৭তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ১২১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপে চার হাজারেরও বেশি লোকের বাস। এখানে শতকরা ৫০ জন আফ্রিকান, ২৫ জন ইউরোপিয়ান ও ২৫ জন চীনা রয়েছে। এই দ্বীপের সরকারি ভাষা ইংরেজি।      

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা