kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

হিসাববিজ্ঞান চর্চা । হিসাব তথ্যের ব্যবহারকারী

মুহাম্মদ নাঈমুর রহমান, প্রভাষক, হিসাববিজ্ঞান, নটর ডেম কলেজ

২৭ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



[একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে ‘হিসাব তথ্যের ব্যবহারকারী’ সম্পর্কে আলোচনা আছে]

 

হিসাববিজ্ঞান একটি তথ্যব্যবস্থা, যার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা। ব্যবহারকারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর তথ্যের প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ভিন্নতার জন্য হিসাববিজ্ঞান তথ্যের ব্যবহারকারীকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

 যথা—

    ১. অভ্যন্তরীণ ব্যবহারকারী

    ২. বহিঃস্থ ব্যবহারকারী

(১) অভ্যন্তরীণ ব্যবহারকারী

অভ্যন্তরীণ ব্যবহারকারী হলো প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা, যাঁরা পরিকল্পনা, সংগঠন, সমন্বয় ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত। অর্থাৎ তাঁরা প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন। এঁদের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবস্থাপকরা উল্লেখযোগ্য। হিসাব তথ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারকারীরা—পরিচালনা পর্ষদ/ কম্পানির পরিচালক, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক বা ম্যানেজার, উৎপাদন পরিদর্শক, অর্থ পরিচালক, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ট্রেজারার, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক/ আন্তঃনিরীক্ষক এবং একমালিকানা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মালিক।

(২) বহিঃস্থ ব্যবহারকারী

যাঁরা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য হিসাববিজ্ঞান তথ্য ব্যবহার করেন না; বরং তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনে হিসাববিজ্ঞান তথ্য ব্যবহার করেন, তাঁদের হিসাববিজ্ঞান তথ্যের বহিঃস্থ ব্যবহারকারী বলা হয়। অর্থাৎ তাঁরা ব্যবসায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন না। বহিঃস্থ ব্যবহারকারীরা সাধারণত কারবারের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত নন। হিসাব তথ্যের বহিঃস্থ ব্যবহারকারীরা—বিনিয়োগকারী/শেয়ারহোল্ডার,

পাওনাদার/ ঋণদাতা/ পণ্য সরবরাহকারী, ক্রেতা/ দেনাদার/ গ্রাহক, সম্ভাব্য ক্রেতা ও বিনিয়োগকারী, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ/ অনুসন্ধানকারী, নিরীক্ষক, অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকারী, কর কর্তৃপক্ষ

যেমন—রাজস্ব বোর্ড, প্রতিযোগী, শ্রমিক সংঘ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন—বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সাধারণ জনগণ, সুশীল সমাজ এবং অন্যান্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা