kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

এসএসসি বিশেষ প্রস্তুতি । জীববিজ্ঞান

সুনির্মল চন্দ্র বসু, সহকারী অধ্যাপক, সরকারি মুজিব কলেজ, সখীপুর, টাঙ্গাইল

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



এসএসসি বিশেষ প্রস্তুতি । জীববিজ্ঞান

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

 

১। ব্যাপন কী?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলে।

২। ব্যাপন চাপ কী?

উত্তর : একই তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট দ্রবণ থেকে কম ঘনত্বের দ্রবণের দিকে দ্রাবকের ব্যাপিত হওয়ার প্রচ্ছন্ন ক্ষমতাকে ব্যাপন চাপ বলে।

৩। ব্যাপন চাপ ঘাটতি কী?

উত্তর : একই বায়ু চাপে কোনো একটি দ্রবণ ও দ্রাবকের ব্যাপন চাপের পার্থক্যকে ব্যাপন চাপ ঘাটতি বলে।

৪। অভিস্রবণ (Osmosis) কী?

উত্তর : দ্রাবকের বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হওয়াকে অভিস্রবণ (Osmosis) বলে।

৫। সংলগ্নতা কী?

উত্তর : পানির অণুর ভেসেল নলের প্রাচীরের সঙ্গে সংলগ্ন থাকাকে সংলগ্নতা বলে।

৬। কোষরস (Cell sap) কী?

উত্তর : কোষের ভেতরকার পানি এবং পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণকে একত্রে কোষরস (cell sap) বলে।

৭। প্রস্বেদন (Transpiration) কী?

উত্তর : সাধারণত স্থলজ উদ্ভিদ যে শারীরতত্ত্বীয় প্রক্রিয়ায় তার বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি বের করে দেয় তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন (Transpiration) বলে।

৮। পত্ররন্ধ্র (Stomata) কী?

উত্তর : পাতায়, কচি কাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষবেষ্টিত এক ধরনের রন্ধ্র থাকে। এদের পত্ররন্ধ্র (Stomata) বলে।

৯। কিউটিকল কী?

উত্তর : উদ্ভিদের বহিঃত্বকে, বিশেষ করে পাতার ওপরে ও নিচে কিউটিনের আবরণ থাকে। এ আবরণকে কিউটিকল বলে।

১০। রক্ত কী?

উত্তর : রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু।

১১। রক্তরস(Plasma) কী?

উত্তর : রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস (Plasma) বলে।

১২। হিমোগ্লোবিন কী?

উত্তর : হিমোগ্লোবিন এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। লোহিত রক্তকণিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়।

১৩। ফ্যাগোসাইটোসিস কী?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় শ্বেত রক্তকণিকা ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে রোগের জীবাণু ভক্ষণ করে তাকে ফ্যাগোসাইটোসিস বলে।

১৪। লিউকেমিয়া কী?

উত্তর : শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বেড়ে গেলে লিউকেমিয়া রোগ হয়।

১৫। হেপারিন কী?

উত্তর : বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।

১৬। অ্যান্টিজেন (antigens) কী?

উত্তর : লোহিত রক্তকণিকায় A ও B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন(antigens) বলে।

১৭। অ্যান্টিবডি (antibody) কী?

উত্তর : রক্তরসে a ও b দুই ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে।

১৮। রক্তের গ্রুপ বা ব্লাড গ্রুপ কী?

উত্তর : অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়। একে রক্তের গ্রুপ বা ব্লাড গ্রুপ বলে।

১৯। সর্বজনীন রক্তদাতা কাকে বলে?

উত্তর : O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে। এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা।

২০। সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা কাকে বলে?

উত্তর : AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে। তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা বলা হয়।

২১। রক্ত সঞ্চালন(Blood transfusion) কী?

উত্তর : কোনো ব্যক্তির শিরার মধ্য দিয়ে বাইরে থেকে অন্যের রক্ত প্রবেশ করানোর প্রক্রিয়াকে রক্ত সঞ্চালন (Blood transfusion) বলে।

২২। পেরিকার্ডিয়াম কী?

উত্তর : পেরিকার্ডিয়াম হলো হৃপিণ্ডকে আবৃতকারী ঝিল্লি।

২৩। হৃৎস্পন্দন

 

 (heart beat)

 

কী?

উত্তর : হৃপিণ্ডের একবার সিস্টোল-ডায়াস্টোলকে একত্রে হৃৎস্পন্দন (heart beat) বলে।

২৪। সিস্টোল কী?

উত্তর : হৃপিণ্ডের সংকোচনকে সিস্টোল বলে।

২৫। ডায়াস্টোল কী?

উত্তর: হৃপিণ্ডের প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।

২৫। রক্তবাহিকা বা রক্তনালি (Blood Vessel) কী?

উত্তর : যেসব নালির ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয় তাকে রক্তবাহিকা বা রক্তনালি (Blood vessel) বলে।

২৬। টিউনিকা এক্সটার্না (Tunica externa) কী?

উত্তর : ধমনিপ্রাচীরের বাইরের স্তর। এটি তন্তুময় যোজক কলা দিয়ে তৈরি।

২৭। টিউনিকা মিডিয়া (Tunica media) কী?

উত্তর : ধমনিপ্রাচীরের মাঝের স্তর। এটি বৃত্তাকার অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে তৈরি।

২৮। টিউনিকা ইন্টারনা (Tunica interna) কী?

উত্তর : ধমনিপ্রাচীরের ভেতরের স্তর। এটি সরল আবরণী কলা দিয়ে তৈরি।

২৯। রক্তচাপ (Blood Pressure) কী?

উত্তর : রক্ত প্রবাহের সময় ধমনির গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ (Blood Pressure) বলে।

৩০। স্ফিগমোম্যানোমিটার কী?

উত্তর : স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো একটি যন্ত্র, যার সাহায্যে রক্তচাপ মাপা যায়।

৩১। উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure or hypertension) কী?

উত্তর : একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণত সিস্টোলিক চাপ 120 মিলিটার পারদের নিচে এবং ডায়াস্টোলিক চাপ 80 মিলিমিটার পারদের নিচের মাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। আর এই রক্তচাপ যখন মাত্রাতিরিক্ত হয়, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে।

৩২। স্ট্রোক কী?

উত্তর : মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহের ব্যাঘাত ঘটার ফলে আক্রান্ত কোষ নষ্ট হওয়াকে স্ট্রোক বলে।

৩৩। কোলেস্টেরল কী?

উত্তর : কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ।

৩৪। LDL কী?

উত্তর : LDL-এর পূর্ণরূপ হলো Low density lipoprotein. এটি হৃদেরাগের ঝুঁকি বাড়ায়। একে খারাপ কোলেস্টেরল বলে।

৩৫। HDL কী?

উত্তর : HDL-এর পূর্ণরূপ হলো High density lipoprotein. এটি হৃদেরাগের ঝুঁকি কমায়। একে ভালো কোলেস্টেরল বলে।

৩৬। ট্রাইগ্লিসারাইড কী?

উত্তর : তিন অণু ফ্যাটি এসিডের সঙ্গে এক অণু গ্লিসারল যুক্ত হয়ে গঠিত যৌগকে ট্রাইগ্লিসারাইড বলে। এটি প্রাণিজ চর্বি অথবা কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

৩৭। অ্যানজিনা (Angina) কী?

উত্তর : হৃপিণ্ডের করোনারি ধমনিগাত্রে চর্বি জমা হলে ধমনিতে স্বাভাবিক রক্ত প্রবাহে বিঘ্ন ঘটে, ফলে হৃপিণ্ড পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং খাদ্যসার না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। এ অবস্থাকে অ্যানজিনা (Angina) বলে।

৩৮। বাতজ্বর কী?

উত্তর : স্ট্রেপটোকক্কাস (streptococcus) অণুজীবের সংক্রমণে বাতজ্বর হয়। এতে শ্বাসনালির প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ অথবা মধ্যকর্ণের সংক্রামক বাতজ্বরের লক্ষণ।

 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

১। মেরুরজ্জু বলতে কী বোঝো?

উত্তর : মেরুরজ্জু করোটির পেছনে অবস্থিত ফোরামেন ম্যাগনাম নামক ছিদ্র থেকে কটিদেশের কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুরজ্জু মেরুদণ্ডের কশেরুকার ভেতরের ছিদ্রপথে সুরক্ষিত থাকে। মেরুরজ্জুতে শ্বেত পদার্থ ও ধূসর পদার্থ থাকে। তবে এদের অবস্থান মস্তিষ্কের ঠিক উল্টো দিকে। দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ছিদ্র দিয়ে মেরুরজ্জু থেকে ৩১ জোড়া মেরুরজ্জীয় স্নায়ু বের হয়। এসব ঘাড়, গলা, বুক, পিঠ, হাত ও পায়ের স্নায়ু। এসব স্নায়ু মিশ্র প্রকৃতির।

২। সিন্যাপস বলতে কী বোঝো?

উত্তর : পর পর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল হলো সিন্যাপস। সিন্যাপসের মধ্য দিয়েই একটি নিউরন থেকে উদ্দীপনা-পরবর্তী নিউরনে পরিবাহিত হয়।

৩। স্নায়ু উদ্দীপনা পরিবহনে সিন্যাপসের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : পর পর দুটি নিউরনের প্রথমটির অ্যাক্সন ও পরেরটির ডেনড্রাইটের মধ্যে যে স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয় তাকে সিন্যাপস বলে। সিন্যাপসের মধ্য দিয়েই একটি নিউরন থেকে উদ্দীপনা-পরবর্তী নিউরনে পরিবাহিত হয়। স্নায়ুটিস্যু উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং সেখান থেকে মস্তিষ্কে পরিবাহিত হয় এবং মস্তিষ্ক তাতে সাড়া দেয়। উচ্চতর প্রাণীতে স্নায়ু টিস্যু স্মৃতি সংরক্ষণ করাসহ বিভিন্ন অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

৪। প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : যেসব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। হঠাৎ করে আঙুলে সুই ফুটলে অথবা হাতে গরম কিছু পড়লে আমরা অতিদ্রুত হাতটি উদ্দীপনার স্থান থেকে সরিয়ে নিই। এটি প্রতিবর্তী ক্রিয়ার ফল।

৫। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : যেসব অঙ্গের ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, সেগুলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। দেহের ভেতরের অঙ্গসমূহ, যেমন—হৃপিণ্ড, অন্ত্র, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয় ইত্যাদির কাজ স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা পরিচালিত হয়। এ অঙ্গের কার্যকারিতার ওপর মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জুর কোনো প্রভাব না থাকায় এরা স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে নিজস্ব কাজ করে।

৬। পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধান গ্রন্থি বলা হয় কেন?

উত্তর : পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। দেহের সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নালিবিহীন গ্রন্থি হলেও এটি আকারে সবচেয়ে ক্ষুদ্র। এই গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপির সোমাটোট্রপিক, থাইরয়েড উদ্দীপক হরমোন (TSH), এডরেনোকর্টিকোট্রপিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যায় যেমন বেশি, অন্যদিকে অন্যান্য  গ্রন্থির ওপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি। তাই পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধান গ্রন্থি বলা হয়।

৭। আইলেটস অব ল্যাংগারহ্যানস বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : আইলেটস অব ল্যাংগারহ্যানস অগ্ন্যাশয়ের মাঝে অবস্থিত। এ থেকে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

৮। ডায়াবেটিস টাইপ-১ ও টাইপ-২ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : ডায়াবেটিস টাইপ-১ : টাইপ-১-এ আক্রান্ত রোগীর দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাই ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিতে হয়।

টাইপ-২ : টাইপ-২-এ আক্রান্ত রোগীর দেহে আংশিকভাবে ইনসুলিন তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে ওষুধ অগ্ন্যাশয় কোষকে শরীরের জন্য পরিমিত ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে।

৯। সমন্বয় কার্যক্রমে তামাক ও মাদকদ্রব্য কেন প্রভাব ফেলে?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ম-শৃঙ্খলার মাধ্যমে একসঙ্গে সংঘটিত হয়, তাই সমন্বয়।

তামাক ব্যবহারে, জর্দা চিবিয়ে খেয়ে কিংবা ধূমপান করলে রক্তে নিকোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়। নিকোটিন গ্রহণে স্নায়ুকোষের কার্যকারিতা নষ্ট হয়। হাত, পা কিংবা মাথা অনৈচ্ছিকভাবে কাঁপতে থাকে। ফলে কোনো সূক্ষ্ম কাজ যেমন সুইয়ের ছিদ্রে সুতা ঢোকানো, সোজা দাগ টানা, লেখালেখিতে ব্যর্থতাজনিত সমস্যা হওয়া ইত্যাদি দেখা দেয়। মাদকদ্রব্য ব্যবহারে স্নায়ুতন্ত্রের ওপর ভীষণ প্রভাব পড়ে। মাদকাসক্তির কারণে ব্যক্তি তার নিজস্ব ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মেনে নেশাদ্রব্য গ্রহণে বাধ্য হয়। নেশা বস্তুর কারণে তার চিন্তাশক্তি ক্রমে লোপ পায়। তামাক ও মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী কাজে মনোযোগ হারায়, সাধারণ জীবনযাপনে ব্যর্থ হয়। তাই সমন্বয় কার্যক্রমে তামাক ও মাদকদ্রব্য প্রভাব ফেলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা