kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

জানা-অজানা

টিজিভি ডুপ্লেক্স

[অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি বইয়ের নবম ইউনিটে ‘টিজিভি ডুপ্লেক্স’-এর কথা উল্লেখ আছে]

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল    

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টিজিভি ডুপ্লেক্স

টিজিভি ডুপ্লেক্স ফ্রান্সের দ্বিতীয় দ্রুততম গতির ট্রেন। পাশাপাশি এটি বিশ্বের অষ্টম সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেন। ১৯৯৫ সাল থেকে এ ট্রেন তৈরির কাজ শুরু হয়। ফ্রান্সের এসএনসিএফ কম্পানির তত্ত্বাবধানে ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন রুটে চলাচল শুরু করলেও এ ট্রেন তৈরির কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয় ২০১২ সালে। স্ট্যান্ডার্ড ও টিজিভি প্রো—এ দুই ক্যাটাগরির যথাক্রমে ছয়টি ও চারটি বগি নিয়ে যাত্রা শুরু করে টিজিভি ডুপ্লেক্স। এটি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটারের ওপরে গতি নিয়ে চলতে সক্ষম এবং এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩১৯ কিলোমিটার বা ১৯৮.৮ মাইল।

ডাবল ডেকের এই দ্রুতগামী টিজিভি ডুপ্লেক্স ট্রেনটি ফ্রান্সের প্রধান শহরগুলোকে সংযুক্ত করেছে। এই ট্রেন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে উচ্চমানের অ্যালুমিনিয়াম, যা এর ওজনকে হ্রাস করেছে। তবে প্রতিটি বগি এতটাই অনমনীয় যে সর্বোচ্চ গতিতে যদি এই ট্রেন দুর্ঘটনাকবলিত হয়, তাহলেও এর বগিগুলো দুমড়ে-মুচড়ে যাবে না। এই ট্রেন দুই শ্রেণিতে বিভক্ত এবং প্রতিটি টিজিভি ডুপ্লেক্সে মোট ৫০৮ জন যাত্রীর আসনের ব্যবস্থা রয়েছে। আর প্রত্যেক যাত্রীর জন্য রয়েছে কোমল পানীয়, ফ্রি ওয়াই-ফাই, খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন।

দ্রুততম ট্রেনের বিবেচনায় ফ্রান্সের টিজিভি ডুপ্লেক্স থেকে যে সাতটি ট্রেন এগিয়ে আছে সেগুলো হলো—চীনের সাংহাই ম্যাগলেভ ও হারমোনি সিআরএইচ ৩৮০এ, ইতালির এজিভি ইটালো, স্পেনের সিমেন্স ভেলারো এভিএস-১০৩ ও তালগো ৩৫০, জাপানের ই-৫ শিনকানশেন হায়াবুসা এবং ফ্রান্সের এলস্টোম ইউরোডুপ্লেক্স ট্রেন।          

                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                     

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা