kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা চর্চা

বাণিজ্যিক পত্র

মো. রবিউল আউয়াল, প্রভাষক, ফিন্যান্স বিভাগ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



[একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমার প্রথম পত্র বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে ‘বাণিজ্যিক পত্র  (Commercial paper)’-এর কথা উল্লেখ আছে]

 

স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের অন্যতম হাতিয়ার হলো বাণিজ্যিক পত্র। বাণিজ্যিক পত্র হলো স্বল্পমেয়াদি জামানতবিহীন অঙ্গীকারপত্র, যা মুদ্রাবাজারে বিক্রয় করে বৃহৎ নামকরা প্রতিষ্ঠান বা কম্পানি স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের প্রয়োজন মিটিয়ে থাকে। সাধারণত বাজারে সুনাম আছে এবং যেসব কম্পানির শেয়ারের বাজারদর বেশি তারা বাণিজ্যিক পত্র ইস্যু করার ক্ষমতা রাখে।

কম্পানিগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক পত্র জনগণের কাছে অবহারে বিক্রয় করে এবং মেয়াদ শেষে পূর্ণ মূল্য ফেরত দেয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় : সামিদ কম্পানি লিমিটেড প্রতিটি ১০০০ টাকা মূল্যের বাণিজ্যিক পত্র ৯৫০ টাকায় তিন মাসের জন্য বাজারে ইস্যু করল। তিন মাস মেয়াদ শেষ হলে সামিদ কম্পানি লিমিটেড বিনিয়োগকারীদের ১০০০ টাকাই পরিশোধ করবে। এখানে ১০০০ টাকার বাণিজ্যিক পত্র কম মূল্যে অর্থাৎ ৯৫০ টাকায় ইস্যু করাকে বলা হয় অবহার বা বাট্টায় ইস্যু। উল্লেখ থাকে যে, বাণিজ্যিক পত্রের গায়ে কোনো সুদের হার লেখা থাকে না। ইস্যু মূল্য ও অভিহিত মূল্যের পার্থক্যই হলো বিনিয়োগকারীর সুদ বা মুনাফা। ওপরের উদাহরণে (১০০০-৯৫০) = ৫০ টাকা হলো বাণিজ্যিক পত্রে বিনিয়োগকারীর সুদ বা মুনাফা। এ পত্রের মেয়াদ সাধারণত তিন মাস থেকে ২৭০ দিন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর বিপরীতে ঋণ গ্রহণকালে কোনো জামানত দিতে হয় না। এটি ইস্যুর ব্যয় ব্যাংকঋণের থেকে কম হয়। এটি দুইভাবে বিক্রয় করা যায়। যথা—

১। সরাসরি ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিক্রয়।

২। ডিলারের মাধ্যমে বিক্রয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা