kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা চর্চা

ব্যবসায় ঋণ

মো. রবিউল আউয়াল, প্রভাষক, ফিন্যান্স বিভাগ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যবসায় ঋণ

[একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমার প্রথম পত্র বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে ‘ব্যবসায় ঋণ  (Trade credit)’-এর কথা উল্লেখ আছে]

স্বতঃস্ফূর্ত অর্থায়নের অন্যতম প্রধান উৎস হলো ব্যবসায় ঋণ। আবার বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে যখন একজন ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করে এবং এর ফলে যে ঋণের সৃষ্টি হয় তাকে ব্যবসায় ঋণ বলে। ব্যবসায় ঋণের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তা বাকিতে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট। উৎপাদনকারী, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে বাকিতে লেনদেনের মাধ্যমে ব্যবসায় ঋণের সৃষ্টি হয়।

এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে খুব বেশি আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় না। ব্যবসায় ঋণের পরিশোধ সময় খুব কম। এ ঋণ সাধারণত এক থেকে তিন মাসের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করে থাকে, যা মাল ক্রয় করে ডেলিভারি আনার সময় থেকে ওই মালের মূল্য পরিশোধের সময় পর্যন্ত। ব্যবসায় ঋণগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো রকম জামানতের প্রয়োজন হয় না। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ব্যবসায় সুসম্পর্ক ক্রেতার আর্থিক সচ্ছলতা বা সুনামই জামানতের কাজ করে। ব্যবসায় ঋণ ব্যবহারের উদ্দেশ্য হলো মজুদ মাল ক্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা। অর্থাৎ চলতি মূলধনের শুধু মজুদ মাল প্রয়োজনীয় অর্থায়নের আংশিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য ব্যবসায় করা হয়। ব্যবসায় ঋণের ব্যয় কত হবে তা নির্ভর করে বিক্রেতা কর্তৃক প্রদত্ত ঋণের শর্তের ওপর। বিক্রয়ের শর্তের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে নগদ বাট্টার হার। যদি ক্রেতা নগদ বাট্টার সুযোগ ত্যাগ করে, তখন ব্যবসায় ঋণের ব্যয়ের সৃষ্টি হয়। আর যদি নগদ বাট্টার সুযোগ গ্রহণ করে সে ক্ষেত্রে কোনো ব্যয়ের সৃষ্টি হয় না।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা