kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

জানা-অজানা

পূর্ণিমা

[নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ের সুভা গল্পে পূর্ণিমার কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পূর্ণিমা

চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে। মানুষ শুধু চাঁদের আলোকিত অংশই দেখতে পায়। চাঁদ দেখতে কখনো বড়, কখনো ছোট এবং কখনো গোলাকার বা অর্ধ গোলাকারের হয়। যখন চাঁদের আলোকিত অংশ সম্পূর্ণ গোলাকার দেখা যায়, তখন তাকে পূর্ণিমা বা ফুল মুন বলে। আর যখন চাঁদের আলোকিত অংশ একেবারেই দেখা যায় না, তখন একে অমাবস্যা বলে। অমাবস্যা থেকেই চাঁদের আকার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। পূর্ণিমাতে গিয়ে চাঁদ পায় পূর্ণতা। সাধারণত প্রায় প্রতি ২৯.৫ দিন পরপর পূর্ণিমা চাঁদ দেখা যায়। অর্থাৎ ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী প্রতিমাসে একটি পূর্ণিমা পাওয়া যায়। মাঝেমধ্যে একই মাসে দুটি পূর্ণিমা চাঁদও দেখা যায়। কিন্তু সেটি কমপক্ষে দুই থেকে তিন বছর পরপর। মাসের দ্বিতীয় পূর্ণিমা চাঁদকেই বলা হয় ব্লু মুন। যখন মাসের দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং একইসঙ্গে চাঁদের পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হয় তখন তাকে বলা হয় সুপার ব্লু ব্লাড মুন। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি এই চাঁদ দেখা গেছে।

পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। পৃথিবী যখন চাঁদ ও সূর্যের ঠিক মাঝখানে অর্থাৎ একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন পৃথিবীর আড়ালে চাঁদ ঢাকা পড়ে যায়। ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। আর চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করে, তখন সূর্য চাঁদের আড়ালে চলে যায় এবং সূর্যগ্রহণ হয়।

বছরের একেক মাসে পূর্ণিমা চাঁদের একেক নাম। বারো মাসের পূর্ণিমা চাঁদগুলো হলো—জানুয়ারি পৌষী পূর্ণিমা, ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, মার্চ দোলপূর্ণিমা, গৌর পূর্ণিমা, ফাল্গুনী পূর্ণিমা, এপ্রিল চৈত্র পূর্ণিমা, মে বুদ্ধপূর্ণিমা, জুন জ্যৈষ্ঠী পূর্ণিমা, জুলাই গুরু পূর্ণিমা, আগস্ট নারালি পূর্ণিমা, রাখী পূর্ণিমা, সেপ্টেম্বর ভাদ্রপদ পূর্ণিমা, অক্টোবর শারদ পূর্ণিমা, নভেম্বর রাসপূর্ণিমা, ডিসেম্বর অগ্রহায়ণ পূর্ণিমা ইত্যাদি।    

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা