kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

আইসিটিচর্চা

আউটসোর্সিং

জেসমিন আক্তার রূপা প্রভাষক, শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ, মিরপুর-১৪, ঢাকা

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আউটসোর্সিং

[নবম-দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে আউটসোর্সিংয়ের কথা উল্লেখ আছে]

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় প্রণোদনা হলো এর মাধ্যমে নিত্যনতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হয়।

ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কম্পানির চাকরির খবর পাওয়া যায় এবং অনলাইনেই সেসব চাকরির জন্য আবেদন করা যায়। ইন্টারনেটের বিস্তৃতির ফলে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে ঘরে বসে অন্য দেশের কাজ করে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে যে কেউ এ ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কাজের দক্ষতার পাশাপাশি ভাষার দক্ষতাও সমানভাবে প্রয়োজন হয়। আউটসোর্সিংয়ের ফলে বর্তমানে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

আউটসোর্সিং তথা ফ্রিল্যান্সিং মুক্ত পেশার সম্ভাবনাকে বিস্তৃত করেছে। ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করানোকে ‘আউটসোর্সিং’ বলে। যেসব ব্যক্তি অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে, তাদের ফ্রিল্যান্সার বা মুক্তপেশাজীবী বলে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানা প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের অনেক কাজ, যেমন—ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফটওয়্যার তৈরি ইত্যাদি বাইরের কর্মীর মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। অনলাইনের মাধ্যমে যেকোনো দেশ থেকেই সেই কর্মী কাজটি করতে পারে।

২০১৫ সালে সর্বমোট প্রায় ৪৪৩ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের কাজ আউটসোর্সিংয়ে হয়েছে। বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিংয়ের বিশাল বাজারের শীর্ষভাগ আমাদের পাশের দেশ ভারতের হাতে। আউটসোর্সিংয়ের জগতে বাংলাদেশ অনেক দেরিতে প্রবেশ করলেও এরই মধ্যে সম্ভাবনাময় দেশের কাতারে চলে এসেছে।

ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে, যার মাধ্যমে আউটসোর্সিং করা যায়। যেমন—www.odesk.com, www.freelancer.com, www. elance.com, www. guru.com ইত্যাদি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা