kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

জানা-অজানা

ঘি

[নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ের অভাগীর স্বর্গ গল্পে ‘ঘি’-এর কথা উল্লেখ আছে]

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘি

ঘি হচ্ছে দুধের পরিশোধিত মাখন বা ননি থেকে তৈরি একটি পদ, যা খাবারে স্বাদ-গন্ধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এটি অতি পরিচিত পুষ্টিকর একটি পদ। লবণবিহীন মাখনকে চুলোয় জ্বাল দিয়ে ঘি প্রস্তুত করা হয়। এর স্বাদ বাঙালির জীবনে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে।

ঘির কদর ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বত্র। পোলাও, বিরিয়ানিসহ বাংলার বহু রান্নায় ব্যবহৃত হয়ে বাঙালি খাদ্যরসিকদের রসনার তৃপ্তি ঘটিয়ে আসছে ঘি। এ ছাড়া চমৎকার গন্ধের জন্য নানা রকম ভর্তা ও ভাজিতেও ঘি ব্যবহৃত হয়। ঘি মিশ্রিত বিভিন্ন রকম মিষ্টান্ন, হালুয়া ও লাড্ডু বাঙালির পছন্দের তালিকায় ওপরের দিকে।

বাঙালিরা গরুর দুধ থেকে তৈরি গাওয়া ঘিকে (গব্য ঘৃত) সবচেয়ে উত্কৃষ্ট ঘি বিবেচনা করে। গাওয়া ঘিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বাটাইরিক এসিড, যা পরিপাকতন্ত্রের প্রধান কাজ হজমে সহায়তা করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষভাবে উপকারী।

নিয়মিত ঘি খেলে দেহের কোষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং দেহ সজীব থাকে। সেই সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। শুধু তা-ই নয়, দেহে নতুন কোষের জন্ম যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে ঘি। ফলে যেকোনো ধরনের শারীরিক ক্ষত সেরে ওঠে কম সময়ে।

ঘিতে ভিটামিন ‘এ’, ‘ডি’ এবং ‘ই’ আছে, যা চোখ ও ত্বক ভালো রাখার সঙ্গে সঙ্গে গাঁটের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে এবং হাড় মজবুত রাখে। এটি স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।   

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা