kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

রঞ্জনরশ্মি

[ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ বইয়ের ‘আকাশ’ প্রবন্ধে রঞ্জনরশ্মির কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রঞ্জনরশ্মি

রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রে হচ্ছে আলোর মতোই বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। তবে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর থেকে অনেক কম। তাই শক্তি অনেক বেশি। এই উচ্চশক্তিসম্পন্ন রশ্মি শরীরের মাংসপেশি ভেদ করে ফটোগ্রাফিক প্লেটে ছবি তুলতে সক্ষম। ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এক্স-রের এককের নামকরণ করা হয় ‘রন্টজেন’।                  একটি কাচের গোলকের দুই পাশে দুটি ইলেকট্রোডের মাধ্যমে এক্স-রে করা হয়। ইলেকট্রোড দুটির একটি ক্যাথোড অন্যটি অ্যানোড। ঠিক কত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এক্স-রে করা হবে, সেটি নির্ভর করে অ্যানোডের ওপর। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্স-রের মাধ্যমে—স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়। দাঁতের ক্যাভিটি এবং অন্যান্য ক্ষয় নির্ণয়ের জন্য এক্স-রে করা হয়। পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়। এক্স-রে দিয়ে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব বের করা যায়। বুকের এক্স-রের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন—যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া ও ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়। এটি ক্যান্সারকোষকে মেরে ফেলতে পারে, তাই রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। এক্স-রের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ যেন শরীরে কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। এ জন্য কোনো রোগীর এক্স-রে নেওয়ার সময় এক্স-রে করা অংশটুকু ছাড়া বাকি শরীর সিসা দিয়ে তৈরি অ্যাপ্রন দিয়ে ডেকে নেওয়া হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান ছাড়াও শিল্পখাতে ও গোয়েন্দা বিভাগের কাজে এক্স-রে ব্যবহৃত হয়।    

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা