kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

হিমোগ্লোবিন

[সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে ‘হিমোগ্লোবিনে’র কথা উল্লেখ আছে]

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হিমোগ্লোবিন

মানব শরীরের রক্তের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হলো লোহিত রক্তকণিকা। আর লোহিত রক্তকণিকায় থাকে আয়রনসমৃদ্ধ প্রোটিন, যাকে হিমোগ্লোবিন বলে। প্রতিটি হিমোগ্লোবিন অণু হিম নামক লৌহ ধারণকারী রঞ্জক পদার্থ এবং গ্লোবিন নামক প্রোটিন সমন্বয়ে গঠিত। প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে প্রায় ১৬ গ্রাম হিমোগ্লোবিন থাকে। হিমোগ্লোবিনের চারটি পলিপেপটাইড চেইনের সঙ্গে একটি হিম গ্রুপ যুক্ত। এই হিম গ্রুপ রক্তকে লাল করে। হিমোগ্লোবিনের মূল কাজ ফুসফুস থেকে দেহকোষে অক্সিজেন পরিবহন করা। এটি মানুষের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। শুধু তাই নয়, এই হিমোগ্লোবিনই অক্সিজেনের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময় করে। অর্থাৎ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে শরীরে পাঠায় আর শরীর থেকে বিষাক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ে ফুসফুসে পাঠিয়ে দেয়। ফুসফুস সেটাকে মানুষের নিঃশ্বাস ফেলার মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়। মানবদেহে বয়স ও লিঙ্গ অনুসারে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ভিন্ন হয়। জন্মের সময় নবজাতকের দেহে যে পরিমাণ হিমোগ্লোবিন থাকে, তিন মাস বয়স থেকে তা কমতে শুরু করে। পরে প্রাপ্ত বয়সের সময় আবার হিমোগ্লোবিন বাড়তে শুরু করে। পুরুষের ক্ষেত্রে রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি লিটারে ১৩০-১৮০ গ্রাম। আর মহিলাদের ক্ষেত্রে ১১৫-১৬৫ গ্রাম। কোনো কারণে রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়। আর তখন অ্যানিমিয়াসহ নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সচেতন থাকা জরুরি। এ জন্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।  আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা