kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

ছাত্রাবাস

[পঞ্চম শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ের স্মরণীয় যাঁরা চিরদিন প্রবন্ধে ‘ছাত্রাবাস’-এর কথা উল্লেখ আছে]

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্রাবাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, যার আদি নাম ছিল হিন্দু হোস্টেল

সাধারণত শিক্ষার্থীরা শিক্ষার উদ্দেশ্যে কতগুলো শর্তের মাধ্যমে নিজেদের বা অন্যের ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কোনো একটি জায়গায় একত্রে আবাস করে, তাকে ছাত্রাবাস বলে। ইংরেজিতে একে বলে Hall বা Hostel. 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মূলত ছাত্রাবাস গড়ে ওঠে। বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত ও ব্যক্তিমালিকানাধীন পরিচালিত-এ দুই ধরনের ছাত্রাবাস আছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত ছাত্রাবাস সরাসরি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ছাত্রাবাসে তুলনামূলক সুবিধা বেশি পাওয়া যায়; অন্যদিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন ছাত্রাবাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত ছাত্রাবাস অপেক্ষা তুলনামূলক কম সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। এ ছাত্রাবাসের ক্ষেত্রে ছাত্র নিজে এর পরিচালক হতে পারে বা অন্য কোনো ব্যক্তি পরিচালক হতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়ও বাংলাদেশে ছাত্রাবাস পরিচালিত হয়।

১৯০৪ সালের ২৭ মে এক সরকারি সভায় ঢাকা কলেজের জন্য একটি আধুনিক ছাত্রাবাস নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক ধারার ছাত্রাবাস নির্মাণের নকশা তৈরি করেন সে সময়ের অন্যতম স্থাপত্যবিদ পি ডাব্লিউ ডি। তিনি ছাত্রাবাসের প্রতিটি ঘরকে (২০–১৪) ফুট আয়তাকারভাবে তৈরি করার প্রস্তাব দেন। প্রতি ঘরে চারজন করে থাকতে পারবে বলে মতামত প্রকাশ করেন। পরবর্তী সময়ে সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ে নতুন আরেকটি ছাত্রাবাস প্রতিষ্ঠিত হয়, যার নাম সেক্রেটারিয়েট মুসলিম হোস্টেল। এ ছাত্রাবাসের খাবারের কক্ষটি ছিল বিরাটাকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে ঢাকা কলেজের হিন্দু হোস্টেল রূপান্তরিত হয়ে ঢাকা হল, পরবর্তীতে শহীদুল্লাহ হল, যা বর্তমানে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল এবং সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের মুসলিম হোস্টেলটি হয়ে যায় মুসলিম হল, যা বর্তমানে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল নামে পরিচিত।           

                                  ► ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা