kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

জানা-অজানা

আক্কেল দাঁত

[সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে ‘আক্কেল দাঁতের’র কথা উল্লেখ আছে]

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আক্কেল দাঁত

মানুষের মুখগহ্বরের ওপরের ও নিচের চোয়ালের সবচেয়ে পেছনে বা শেষে উভয় দিকে একটি করে মোট চারটি দাঁত ওঠে আর এই দাঁতগুলোকে আক্কেল বা উইজডম টিথ বলে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ১৭ থেকে ২১ বছর বয়সের মধ্যে এই দাঁত উঠে থাকে। কারো এই দাঁত আংশিকভাবে ওঠে, অনেকের মাড়ির নিচেই থেকে যায়। যখন আক্কেল দাঁত ওঠে তখন প্রচণ্ড ব্যথা হয়। ব্যথায় মুখের ভেতরসহ গালও ফুলে যায়। মানুষের দুধ দাঁতগুলো পড়ে যাওয়ার পর ফাঁকা জায়গায় স্থায়ী দাঁতগুলো আসতে থাকে। অর্থাৎ স্থায়ী দাঁতগুলোর জন্য ফাঁকা জায়গা থাকে; কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আক্কেল দাঁতের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। আক্কেল দাঁত তখন আংশিকভাবে এবং আঁকাবাঁকা হয়ে ওঠে, কখনো উঠতেই পারে না; মাড়ির নিচে লুকিয়ে থাকে। ফলে আক্কেল দাঁতের মাড়ির টিস্যুর নিচে খাবার জমে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের কারণে মাড়িতে ইনফেকশন হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে পেরিকরোনাইটিস বলে। এই ইনফেকশনের ফলে তীব্র ব্যথা হয়, মাড়ি ও গাল ফুলে যায়। মুখ হাঁ করতে অসুবিধা হয়। মুখে দুর্গন্ধ হয় এবং কারো কারো জ্বরও হতে পারে। ভেতরের দিকে এই দাঁতের অবস্থান হওয়ায় ব্রাশ ঠিকমতো পৌঁছে না। এতে আক্কেল দাঁত ও তার পাশের দাঁত দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আক্কেল দাঁত উঠলে একজন রেজিস্টার্ড দন্ত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সমস্যা দেখিয়ে তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।      ► আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা