kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

নির্মল হৃদয়

[ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ বইয়ের মাদার তেরেসা প্রবন্ধে ‘নির্মল হৃদয়’-এর কথা উল্লেখ আছে]

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্মল হৃদয়

নির্মল হৃদয় মাদার তেরেসার প্রতিষ্ঠিত একটি সেবাকেন্দ্র। তিনি ১৯৫০ সালের ৭ অক্টোবর ডায়োসিসান ধর্ম প্রচারকদের সংঘ করার জন্য ভ্যাটিকানের অনুমতি পান, যা মিশনারিজ অব চ্যারিটি হিসেবে পরিচিত। এ চ্যারিটির কাজ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, অন্ধ, পক্ষাঘাতগ্রস্ত, বয়স্ক, মাদকাসক্ত, দারিদ্র্য, উদ্ভাত্ত এবং বন্যা, দুর্ভিক্ষ বা মহামারিতে আক্রান্ত মানুষের সেবা করা।

মাদার তেরেসা কলকাতার রাস্তাঘাটে অনেক দরিদ্রকে মারা যেতে দেখেছেন। অজ্ঞাত এক মহিলাকে দেখে আঁতকে ওঠেন তিনি, যার দেহের অর্ধেকটা ইঁদুর ও পিঁপড়ায় খেতে শুরু করেছে। মাদার তেরেসা স্থির করলেন কাউকে আর অসহায় অবস্থায় মরতে দেবেন না। তিনি মরণাপন্ন মানুষদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালে কালিঘাটে কলকাতা নগর কর্তৃপক্ষের দেওয়া জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় নির্মল হৃদয়। এটি মুমূর্ষুদের জন্য আশ্রয় ও সেবাকেন্দ্র। ভারতীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় একটি পরিত্যক্ত হিন্দু মন্দিরকে এই সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরিত করেন। নির্মল হৃদয়ের আদি নাম হোম ফর দ্য ডাইং। এটি ছিল দরিদ্র্রদের জন্য নির্মিত দাতব্য চিকিৎসাকেন্দ্র। এই কেন্দ্রের আশ্রয়ে কিছুটা শান্তি ও সম্মান পেতেন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষেরা। পেতেন চিকিৎসা ও পেটভরে খাবার। আজ পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার মানুষ তাদের শেষ আশ্রয় পেয়েছে এই কেন্দ্রে। এই প্রসঙ্গে মাদার তেরেসা বলেছেন, ‘মৃত্যু হলো মানুষের জীবনের চূড়ান্ত পরিণতি। কোনো মানুষ যদি ঈশ্বরের কাছ থেকে শান্তি নিয়ে মরতে পারে, তাহলে তার পক্ষে জীবনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোও সহজ হয়।’

                            ► ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা