kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

জানা-অজানা

ঘুম

[পঞ্চম শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ের অবাক জলপান নাটকে ‘ঘুম’-এর কথা উল্লেখ আছে]

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল   

১১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘুম

দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হচ্ছে ঘুম। ঘুম হচ্ছে সেই সময় যখন আমরা আমাদের চারপাশ সম্পর্কে অবহিত থাকি না। এ অবস্থায় মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর সচেতন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া স্তিমিত থাকে। ঘুম প্রধানত দুই ধরনের—রেম ও ননরেম। রেম ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক সজাগ থাকে, আমাদের মাংসপেশি শিথিল থাকে, আমাদের চোখ এদিক থেকে ওদিকে ঘুরতে থাকে এবং আমরা স্বপ্ন দেখি। ননরেম ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় থাকে, তবে শরীর নড়াচড়া করতে পারি। এই সময় হরমোন নিঃসৃত হয় এবং দেহের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে আবার সতেজ করে তোলে। আমরা রাতে রেম ও ননরেম ঘুমের মধ্যে থাকি। অন্তত পাঁচবার এই স্টেজগুলো ঘুরে ঘুরে আসে। রাতে আমাদের ঘণ্টা দুয়েক বাদে বাদে মিনিট খানেকের জন্য ঘুম ভাঙতে পারে, তবে তা আমাদের সব সময় মনে থাকে না।

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিকঠাক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। তবে অতিরিক্ত ঘুমও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন রকম ঘুমের চাহিদা থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের পরামর্শপত্র অনুযায়ী ছয় থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের আট থেকে ১০ ঘণ্টা, ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের সাত থেকে ৯ ঘণ্টা এবং ৬৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সীদের জন্য ঘুমানো প্রয়োজন সাত থেকে আট ঘণ্টা।

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্লান্তি লাগে, মনোযোগ কমে যায়, বিষণ্নতা ভর করে এবং উদ্বেগও বেড়ে যায়। আবার অতিরিক্ত ঘুমালে ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হতাশা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস এবং কর্ম ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস প্রভৃতি দেখা যায়।            

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা