kalerkantho

বিজ্ঞানচর্চা

পরাগায়ণ

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর, চুয়াডাঙ্গা

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরাগায়ণ

[অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে চতুর্থ অধ্যায়ে ‘পরাগায়ণ’ সম্পর্কে আলোচনা আছে]

ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ণ বলে। পরাগায়ণকে পরাগসংযোগও বলা হয়। পরাগায়ণ ফল ও বীজ উৎপাদনপ্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। একটি ফুলের পুংস্তবকের পরাগধানীতে আঙুলের ডগা দিয়ে ঘষা দিলে যে হলুদ বা কমলা রঙের গুঁড়া লেগে যায়, তাই পরাগরেণু।

পরাগায়ণ দুই প্রকার, যথা—স্বপরাগায়ণ ও পরপরাগায়ণ।

স্বপরাগায়ণ : একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ণ ঘটে, তখন তাকে স্বপরাগায়ণ বলে। সরিষা, কুমড়া, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্বপরাগায়ণ ঘটে।

পরপরাগায়ণ : একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ণ ঘটে, তখন তাকে

পরপরাগায়ণ বলে। শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পরপরাগায়ণ হতে দেখা যায়।

পরাগরেণু স্থানান্তরের কাজটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে। বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক, এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। মধু খেতে অথবা সুন্দর রঙের আকর্ষণে পতঙ্গ বা পাখি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায়। এ সময় পরাগরেণু বাহকের গায়ে লেগে যায়। এই বাহকটি যখন একই প্রজাতির অন্য ফুলে গিয়ে বসে, তখন পরাগরেণু ওই ফুলের গর্ভমুণ্ডে লেগে যায়। এভাবে তাদের অজান্তে পরাগায়ণের কাজটি হয়ে যায়।

মন্তব্য