kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সপ্তম শ্রেণি

বিজ্ঞান

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর, চুয়াডাঙ্গা

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিজ্ঞান

থালায় শব্দের উৎপত্তি

অষ্টম অধ্যায় : শব্দের কথা

জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক অংশ

১। কঠিন মাধ্যমে শব্দ কিভাবে সঞ্চালিত হয়?

উত্তর : বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। বস্তুর কম্পনের ফলে মাধ্যমের অণুগুলোও কাঁপতে থাকে। ফলে ওই অণু তার পার্শ্ববর্তী অণুতে কম্পন সৃষ্টি করে। এভাবে কম্পন এক অণু থেকে অন্য অণুতে স্থানান্তরিত হয়ে শব্দ সঞ্চালিত হয়।

৮। চাঁদে বিস্ফোরণ হলে তার শব্দ পৃথিবীতে শোনা যায় না কেন?

উত্তর : যেকোনো কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস। শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। চাঁদ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত দূরত্বের বেশির ভাগই শূন্য। তাই চাঁদে কোনো বিস্ফোরণ হলে জড় মাধ্যমের অভাবে শব্দ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় না এবং আমরা শুনতে পাই না।

৯। শব্দের উৎপত্তির কারণ কী?

উত্তর : কোনো বস্তুতে যখন কম্পন সৃষ্টি হয়, তখনই আমরা শব্দ শুনতে পাই। সুতরাং বস্তুর কম্পনই হচ্ছে শব্দ উৎপত্তির কারণ।

১০। সব কম্পাঙ্কের শব্দ কী আমরা শুনতে পাই? আমাদের শ্রাব্যতার সীমা কত?

উত্তর : সব কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা শুনতে পাই না। শুধু ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জের কম্পাঙ্ক আমরা শুনতে পাই। বস্তুর কম্পাঙ্ক যদি এর বেশি বা কম হয়, তাহলে আমরা শব্দ শুনতে পাব না। আমাদের শ্রাব্যতার সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা