kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

একজিমা

[সপ্তম শ্রেণির কৃষিশিক্ষা বইয়ের ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘একজিমা’র কথা উল্লেখ আছে]

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একজিমা

একজিমা এক ধরনের চর্মের প্রদাহজনিত রোগ। এটি বিখাউজ, কাউর ঘা ইত্যাদি নামেও পরিচিত। চিকিৎসাশাস্ত্রে এটিকে অ্যাটপিক ডার্মাটাইটিস হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একজিমা হলে প্রথমে ত্বক লালচে হয়ে যায়, চুলকায় ও ফুলে ওঠে। তারপর ছোট ছোট দানা ও ফোসকার মতো বেরোয়। ফোসকা ফেটে গিয়ে রস ঝরতে থাকে। কখনো আবার ছোট গুটিগুলো মিশে ত্বক পুরু ও শক্ত হয়ে যায়। মানুষের দেহে বিভিন্ন ধরনের একজিমা হয়ে থাকে, যেমন—সেবরিক একজিমা, ডিসকয়েড একজিমা, অ্যাটপিক একজিমা, অ্যালারজিক কন্টাক্ট একজিমা। একজিমা হওয়ার কারণ বা প্রবণতা কিছুটা বংশগত। বাইরের অনেক পদার্থ শরীরের সংস্পর্শে এসে একজিমা সৃষ্টি করতে পারে। শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বক একজিমার জন্য দায়ী। কারণ শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বক ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে পারে না।  শরীরের বিভিন্ন অংশে একজিমা হতে পারে। যেমন—কানে, হাতের কুনইতে, চোখের পাতায়, স্তনে ও পায়ে। একজিমা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বাচ্চাদের বেশি হয়। একজিমা রোগীদের যেসব জিনিস ব্যবহারে রোগ বেড়ে যেতে পারে তা থেকে বিরত থাকতে হবে, যেমন—সাবান, ডিটারজেন্ট পাউডার, রাসায়নিক দ্রব্য, মসলাজাতীয় কোনো কিছু। এ জন্য একজিমা রোগীদের জন্য সর্বোত্তম উপায় হলো ঘরোয়া কাজে হাতে গ্লাভস ব্যবহার করা, চামচ দিয়ে খাবার খাওয়া এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সাবান, শ্যাম্পু ও লোশন ব্যবহার করা। ত্বকের সঠিক যত্ন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে একজিমা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।              

• আব্দুর রাজ্জাক

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা