kalerkantho

নবম-দশম শ্রেণি

পদার্থবিজ্ঞান

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর, চুয়াডাঙ্গা

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দশম অধ্যায়

স্থির বিদ্যুৎ

জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

১। আধান কী?

উত্তর : পদার্থ সৃষ্টিকারী মৌলিক কণাগুলোর (ইলেকট্রন ও প্রোটন) মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মই হচ্ছে আধান বা চার্জ।

২। কুলম্বের সূত্রটি বিবৃত করো।

উত্তর : নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান আধানদ্বয়ের গুণফলের সমানুপাতিক, মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল এদের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

৩। তড়িৎ বিভব বা ইলেকট্রিক পটেনশিয়াল কাকে বলে?

উত্তর : অসীম দূরত্ব থেকে প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িেক্ষত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ওই বিন্দুর তড়িৎ বিভব বা ইলেকট্রিক পটেনশিয়াল বলে।

৪। তড়িেক্ষত্র কাকে বলে?

উত্তর : আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চলের মধ্যে অন্য কোনো আহিত বস্তু আনলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল অনুভব করে সেই অঞ্চলকে ওই বস্তুর তড়িেক্ষত্র বলে।

৫। তড়িৎ আবেশ কাকে বলে?

উত্তর : একটি আহিত বস্তুর কাছে এনে স্পর্শ না করে শুধু এর উপস্থিতিতে কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ আবেশ বলে।

৬। ইলেকট্রোস্কোপ বা তড়িত্বীক্ষণ যন্ত্র কাকে বলে?

উত্তর : যে যন্ত্রের সাহায্য কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে ইলেকট্রোস্কোপ বা তড়িত্বীক্ষণ যন্ত্র বলে।

৭। বিভব পার্থক্য কাকে বলে?

উত্তর : একটি ধনাত্মক আধানকে তড়িেক্ষত্রের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয় তার পরিমাণকে সেই দুই স্থানের বিভব পার্থক্য বলে।

৮। ধারক কাকে বলে?

উত্তর : যে তড়িৎ ব্যবস্থা চার্জ সংরক্ষণ করতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে তা ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করতে পারে তাকে ধারক বলে।

৯। ধারকত্ব কাকে বলে?

উত্তর : কোনো একটি পরিবাহীর বিভব একক পরিমাণ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় চার্জের পরিমাণকে তার ধারকত্ব বলে।

মন্তব্য