kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

জানা-অজানা

হোয়াংহো নদী

[ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘হোয়াংহো নদী’র কথা উল্লেখ আছে

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল    

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হোয়াংহো নদী

হোয়াংহো এশিয়া ও চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। এটি সিংহাই প্রদেশের বায়ান হার পর্বতের উত্তরাংশে উৎপত্তি হয়ে পীত সাগরে পতিত হয়েছে। এর অপর নাম পীত নদী। তবে নদীটি চীনের দুঃখ নামে বেশি পরিচিত। প্রাচীন চীনে প্রায়ই এই নদীর পানি ছাপিয়ে উঠে আশপাশের সব কিছু ভাসিয়ে দিত বলে একে চীনের দুঃখ বলা হয়। এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কিলোমিটার। ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এর ফলে প্রত্যেকবারই চীনের জনগণের জীবনে নেমে এসেছে অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা। আধুনিক চীন (নয়া চীন) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর চীন সরকার এই নদীর পাড়ের বেড়িবাঁধকে আরো মজবুত করে। ফলে বিংশ শতাব্দীতে হোয়াংহো নদীর তীরবর্তী জনসাধারণের নিরাপত্তা সুরক্ষিত হয়। এই নদীর অববাহিকার পশুচারণ ভূমি বেশ উর্বর ও খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ। এখানে চীনের প্রাচীনতম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। লানজে, বাত্তথৌ, যেমষ্ঠে, জিনোন প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ শহর-বন্দর এ নদীর তীরে অবস্থিত। এই নদীর অববাহিকা পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১৯০০ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার। এর মোট আয়তন প্রায় সাত লাখ ৫২ হাজার ৫৪৬ বর্গকিলোমিটার। এই নদী ৯টি প্রদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শানতুং প্রদেশের দংইং শহরের বোহাই সাগরে গিয়ে মিশেছে।

মন্তব্য