kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

জানা-অজানা

ব্রি

[ষষ্ঠ শ্রেণির কৃষি বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে ব্রি-এর কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক   

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রি

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট’ বা ‘ব্রি’। এটি দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে। ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট’। প্রতিষ্ঠানটি ব্রি অ্যাক্ট-১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত এবং ব্রি (সংশোধনী) অ্যাক্ট-১৯৯৬ এবং ব্রি অ্যাক্ট-২০১৭ অনুযায়ী একটি বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত। এ বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন এর মহাপরিচালক। প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠানটিতে ১১টি গবেষণা বিভাগ ও তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয় নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯টি গবেষণা বিভাগ ও ১১টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২৪৯ জন বিজ্ঞানীসহ ৬৭৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। এ প্রতিষ্ঠানে আধুনিক গবেষণার সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। আছে গবেষণাগার, গ্রিনহাউস এবং পরীক্ষণ মাঠ। এ ছাড়া রয়েছে একটি আধুনিক জার্মপ্লাজম ব্যাংক, ২০টি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগার, দশটি গ্রিনহাউস, দশটি নেট হাউস এবং ৭৬.৮৩ একর পরীক্ষণ মাঠ। ২০০৯-১৮ পর্যন্ত ব্রি চারটি হাইব্রিডসহ খরা, বন্যা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু সর্বমোট ৪৩টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য অর্জন করেছে ২৩টি পুরস্কার।   

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা