kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

স্বাধীনতার ঘোষণা

[অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার কথা উল্লেখ আছে]

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাধীনতার ঘোষণা

স্বাধীনতা একটি শর্ত, যেখানে একটি জাতি, দেশ বা রাষ্ট থাকবে; যেখানে জনগণ থাকবে, নিজস্ব শাসনব্যবস্থা এবং সাধারণত কোনো অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব থাকবে। স্বাধীনতার বিপরীত হচ্ছে পরাধীনতা। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারতীয় উপমহাদেশ ছেড়ে চলে গেলেও কাটেনি পরাধীনতার রেশ। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগণের ওপর শুরু করে অত্যাচার ও নিপীড়ন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ সারা দেশে এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায়। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ধানমণ্ডির ৩২ নম্ব্বরে নিজ বাসায় গ্রেপ্তার হওয়ার আগমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র। একে যে রকম করেই হোক শত্রুর কবল থেকে রক্ষা করতে হবে।’ ইপিআরের ওয়্যারলেস থেকে তাঁর এই ঘোষণা প্রচার করা হয়। পরে চট্টগ্রামে অবস্থানরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এ ঘোষণা বেতারে পাঠ করলে দেশবাসী স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে। মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রচার করে। তাজউদ্দীন আহমদের নির্দেশে অধ্যাপক রেহমান সোবহান ও ব্যারিস্টার অমীর-উল ইসলামসহ কয়েকজন মিলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করেন। ১৭ এপ্রিল এটি পাঠ করা হয়। এদিনই ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ২৬শে মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বিজয়। জাতি অর্জন করে একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত।

♦ আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা