kalerkantho

শনিবার । ১৬ নভেম্বর ২০১৯। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান

[বিভিন্ন শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের কথা আছে]

২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান

বাংলাদেশের দৃষ্টিনন্দন পর্যটনস্থলগুলোর মধ্যে অন্যতম হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। শিক্ষা-গবেষণা, পর্যটন, ভ্রমণ, বিনোদন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে উদ্যানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ উদ্যানটির আয়তন প্রায় ১৭২৯ হেক্টর বা ১৭.২৯ বর্গকিলোমিটার। এর একপাশে সুবিস্তৃত সমুদ্রসৈকত আর অন্যপাশে সবুজ পাহাড়ের সারি। এটি একটি চিরসবুজ ও ক্রান্তীয় বৃক্ষের বনাঞ্চল। এ উদ্যানে আছে ছোট-বড় কয়েকটি পাহাড়ি ঝরনা। উদ্যানের চারপাশে প্রায় ৮৪২৭টি পরিবার বসবাস করে। বন থেকে সম্পদ আহরণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে তারা। প্রায় ১১৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৫৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২৮৬ প্রজাতির পাখি, ৫৬টি প্রজাতির সরিসৃপ ও উভচর প্রাণী রয়েছে এ উদ্যানে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুপ্রবেশের কারণে এখানে বনের ভূমি দখল, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দরিদ্রতা, শিক্ষার অভাব এবং সুপেয় পানির অভাব দিনে দিনে তীব্রতর হচ্ছে। হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের অন্যতম আকর্ষণ প্রবহমান জলপ্রপাত।

♦ আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা