kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

এসএসসি প্রস্তুতি

বাংলা দ্বিতীয় পত্র

লুত্ফা বেগম, সিনিয়র শিক্ষক, বিএএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলা, ঢাকা

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলা দ্বিতীয় পত্র

ছবি : তারেক আজিজ নিশক

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ২টি প্রতিবেদন থাকবে

১টির উত্তর দিতে হবে। মান ১০

 

প্রতিবেদন

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি : সহনীয় রাখতে ব্যবস্থা নিন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি ২০১৯

বর্তমানে যে বিষয়টি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে তা হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতি। এই অস্বাভাবিক, আকস্মিক ও উত্তরোত্তর মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনকে করে তুলেছে বিপর্যস্ত। এতে জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতা যেমন হ্রাস পেয়েছে, তেমনি তাদের জীবনে নেমে এসেছে অপ্রত্যাশিত দুর্ভোগ।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হলে পণ্যের দাম বাড়ে। আমদানিপণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে দেশের বাজারেও তা বাড়াই স্বাভাবিক; কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোজ্যপণ্য যেমন—চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ইত্যাদি কোনোটির দাম আজ সহনীয় পর্যায়ে নেই। উপর্যুক্ত পণ্যগুলো দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা হলেও দেশের ভেতরেও উৎপাদিত হচ্ছে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, এমনকি শাকসবজির মূল্যও আজ অস্থিতিশীল।

বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য আছে, কিন্তু দাম বাড়ছে—এর কারণগুলো অনুসন্ধান করা খুবই জরুরি। এ রকম অভিযোগ শোনা যায়, ব্যবসায়ীদের একাংশ অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর কারণ ঘটান। আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি কিংবা আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির অজুহাত দেওয়া হয়। বর্ষায় ক্ষতি কিংবা সড়কপথে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাত দেওয়া হয়। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যখন উৎসব-পার্বণ সামনে রেখে বাজারে পণ্যমূল্য কমানো হয়, তখন আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে উৎসব-পার্বণ মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।

এ কথা মানতেই হবে, বাংলাদেশের বাজারে সঠিক নজরদারি নেই। ব্যবসায়ীদের কাছে ভোক্তারা জিম্মি। সঠিক নজরদারি ও বিকল্প বাজার না থাকায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যদের একাংশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে, যার নেতিবাচক প্রভাব ভোগ্যপণ্যের দামের ওপর পড়ে। দ্রব্যমূল্যের এই ঘন ঘন ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে হলে আগে থেকে প্রস্তুতি, নজরদারি ও সতর্কতার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কেও সরকারের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে। সারা দেশে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে হবে। পরিবহনপথের ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। মোট কথা, নানা ছল-ছুতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর প্রবণতারোধে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলকে এক জোট হয়ে কাজ করতে হবে। তা না হলে জনজীবন হবে বিপর্যস্ত।

প্রতিবেদকের নাম : আবদুল্লাহ জাওয়াদ

প্রতিবেদনের শিরোনাম : দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি : সহনীয় রাখতে ব্যবস্থা নিন

প্রতিবেদন তৈরির সময় : সকাল ১০টা

প্রতিবেদন তৈরির তারিখ : ১০ জানুয়ারি,

                        ২০১৯, বুধবার

প্রতিবেদন তৈরির স্থান : ঢাকা-১২০৬

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা