kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

যাত্রীস্বার্থ দেখবে কে

সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া

২৩ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক ও চালকদের আলাদা দুটি সমাবেশ হয়েছে ঢাকায়। মালিকদের সংগঠন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদ জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দৈনিক জমার টাকা বাড়াতে চেয়েছে। একই সময়ে জমা কমানোর দাবি তুলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে ঢাকা জেলা সিএনজি অটোরিকশা, মিশুকচালক ও শ্রমিক ইউনিয়ন। অটোরিকশার দৈনিক জমা ২০১৫ সালে সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় ৯০০ টাকা এবং মিটারে ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১২ টাকা।

বিজ্ঞাপন

মালিকদের দাবি, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অটোরিকশার যন্ত্রাংশের দাম বাড়ায় এবং বিআরটিএতে ট্যাক্সের টাকা বাড়ায় এভাবে অটোরিকশা ব্যবসা চালানো মালিকদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। চালকরা বলছেন, মালিকরা ৯০০ টাকার জায়গায় এক হাজার ২০০ টাকা জমা রাখেন। শিফটভেদে এক হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত জমা রাখেন, যা অন্যায়। তাঁদের দাবি, দৈনিক জমা কোনোভাবেই ৯০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মিটারে অটোরিকশা চালিয়ে চালকের সংসার চলছে না।

রাজধানীর গণপরিবহনে নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের হিসাবে ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় অনুমোদিত রুটের সংখ্যা ৩৮৬টি। এসব রুটে ১০ হাজার ২৭৯টি বাস-মিনিবাসের অনুমোদন আছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি বলছে, ঢাকায় চলাচলকারী বেসরকারি বাস-মিনিবাসের সংখ্যা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার। গণপরিবহনের সংকটে মানুষকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর ভরসা করতে হয়। কিন্তু এই মহানগরীতে যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া গুনতে হয়। অ্যাপভিত্তিক বাইক ও প্রাইভেট কার কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও সিএনজি অটোরিকশা এখনো মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক সমীক্ষা অনুযায়ী ঢাকা নগরীর ৯৮ শতাংশ অটোরিকশাচালক চলেন চুক্তির মাধ্যমে। তাঁরা কেউ মিটারে যেতে রাজি হন না। কেউ কেউ মিটারে যেতে রাজি হলেও টাকা বাড়িয়ে দিতে বলেন। সিএনজি অটোরিকশার এই নৈরাজ্য দমনে কোনো তৎপরতা নেই। সমস্যা পোহাতে হয় যাত্রীদের।

অটোরিকশা নীতিমালা-২০০৭ অনুযায়ী নির্ধারিত স্ট্যান্ডে অবস্থান করার সময় কোনো সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক অল্প দূরত্বসহ সরকারের ঠিক করে দেওয়া এলাকার মধ্যে যেকোনো দূরত্বে যেতে বাধ্য। কিন্তু রাজধানীর সিএনজি অটোরিকশাচালকরা কি এই নীতিমালা মেনে চলেন?

এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী?

 



সাতদিনের সেরা