kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ মাঘ ১৪২৮। ২৭ জানুয়ারি ২০২২। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ফেরির সংখ্যা বাড়াতে হবে

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুট

১৭ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে আটকা পড়ে আছে ফেরি পারের অপেক্ষায় ঢাকামুখী বিভিন্ন পণ্যবোঝাই শত শত ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান।   ফেরিসংকটের কারণে এসব যানবাহন নদী পার হতে পারছে না। দৌলতদিয়া ঘাটগামী অপচনশীল পণ্যবাহী কয়েক শ ট্রাক রাজবাড়ী সদর থানার গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় আটকে রাখা হয়েছে। ঘাট পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে ওই ট্রাকগুলো ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ফেরিসংকটের কারণে স্বাভাবিক পারাপার ব্যাহত হওয়ায় উভয় ঘাটে যানজট লেগেই থাকছে। অবশ্য এই নৌ রুটে জনভোগান্তির ঘটনা এটাই প্রথম নয়। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ছয় হাজারের বেশি গাড়ি ফেরি পারাপার হয়। কিন্তু এই রুটে নৌপথে প্রয়োজনীয়সংখ্যক রো রো ফেরি নেই। চলাচলকারী ফেরিগুলো অনেক পুরনো। সার্বক্ষণিক সচল রাখতে গিয়ে অনেক ফেরি বিকল হয়ে পড়ে।

সম্প্রতি পাটুরিয়া ফেরিঘাটে একটি ফেরি উল্টে যাওয়ার পর ত্রুটিপূর্ণ ফেরি চালাতে চালকদের মধ্যে অনীহা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে চারটি ফেরি মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ঘাটের গুরুত্ব বিবেচনায় এই নৌপথে ছোট ফেরির পাশাপাশি কমপক্ষে ১২টি বড় ফেরি সার্বক্ষণিক সচল রাখা প্রয়োজন। তা না থাকায় দৌলতদিয়া ঘাটে যানজট পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে আছে। দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহন আটকা পড়ার অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত, গত ফেব্রুয়ারিতে আরিচা-কাজীরহাট ফেরি সার্ভিস চালু করার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুট থেকে কয়েকটি রো রো ফেরি সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আবার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি চলাচল বেশ কিছুদিন বন্ধ ছিল। ওই রুটে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি চলাচল শুরু হলেও শুধু ছোট গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পার হচ্ছে দৌলতদিয়া রুট দিয়ে। ফলে এই রুটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয়সংখ্যক ফেরি নেই। এই সময়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুট থেকে কিছুদিনের জন্য ফেরি আনা যেত; কিন্তু তা আনা হয়নি। উল্টো গত ফেব্রুয়ারিতে আরিচা-কাজীরহাট রুটে এই রুট থেকে ফেরি দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘাটে দেখা দিয়েছে যানজট। বেড়েছে যাত্রী ভোগান্তি।

কিন্তু এভাবে তো চলতে পারে না। সমাধান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই করতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 



সাতদিনের সেরা