kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা

মানুষের কল্যাণে তাঁর নিরলস শ্রম

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা

দেশ ও জাতির এক গভীর সংকটকালে সব বাধা তুচ্ছ করে দেশে এসেছিলেন তিনি। তারপর রচিত হলো অন্য এক ইতিহাস। মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি আজ টানা তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দীক্ষা কল্যাণমন্ত্রে। উন্নয়নের ব্রত সাধনায় তিনি নিয়োজিত থাকেন সর্বক্ষণ। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সব সংকট মোকাবেলা করে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। দেশের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশিত মানব উন্নয়ন সূচক প্রতিবেদন ২০২০-এ বলা হয়েছে, করোনার সময়েও বিশ্বের মানব উন্নয়ন সূচকে এগিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতায় গত ৩০ বছরে বাংলাদেশ এগিয়েছে ৬০ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। পরিবেশের প্রভাবজনিত সমন্বিত মানব উন্নয়ন সূচকে আরো ৯ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ আরো দুই ধাপ এগিয়েছে। বর্তমানে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। এ ছাড়া মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু বেড়েছে ১৪.৪ বছর।

উন্নয়নের ব্রত সাধনায় তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখেন সর্বক্ষণ। দেশের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। আর তারই স্বীকৃতিস্বরূপ পেলেন ‘এসডিজি প্রগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি অর্জনের পথে বাংলাদেশের সাফল্যের স্বীকৃতি এই অ্যাওয়ার্ড। টেকসই উন্নয়নবিষয়ক নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের অংশ হিসেবে সোমবার নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। একই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ আখ্যায়িত করেছে আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্টস প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু তাঁর দৃঢ়তার আরেক উদাহরণ। দেশের মানুষের জন্য পদ্মা সেতু নিছক একটি বড় সেতু নয়, সত্যিকার অর্থেই দুঃসাহসী এক স্বপ্ন। পরাক্রমশালী বিশ্বব্যাংককে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছিলেন, ‘নিজেদের টাকায়ই আমরা পদ্মা সেতু গড়ব।’ ইস্পাতের এই কাঠামোটি শুধু পদ্মার এপার-ওপারকে যুক্ত করেনি, এটা আমাদের এক ঐতিহাসিক অর্জন। আর এসব অর্জনের পেছনে যে মানুষটির নিরলস শ্রম ও অধ্যবসায়, তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর দীক্ষা কল্যাণমন্ত্রে, যে কারণে উন্নয়নের ব্রত সাধনায় তিনি নিয়োজিত থাকেন সর্বক্ষণ। ‘পিপল ফার্স্ট’ দেশের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন।

জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই তাঁকে।

 



সাতদিনের সেরা