kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

প্রবাস আয়ে সুখবর

প্রণোদনাতেই ধারা ঊর্ধ্বমুখী

২৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাকালেও সুখবর দিচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। এখন রমজান মাস চলছে। সামনে ঈদ, এই সময়ে প্রবাসীরা দেশের স্বজনদের জন্য অর্থ পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু শুধু রমজান বা ঈদ নয়, সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে যে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, তার ফলেই বৈধ পথে রেমিট্যান্স বেড়েছে। নগদ প্রণোদনাসহ সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপে এখন হুন্ডি কমে গেছে। চলতি মাসের ১৫ দিনে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, তা গত বছরের পুরো এপ্রিল মাসের চেয়েও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের সূত্রে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। এটি আগের মাস ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে ৫০.৪০ শতাংশ বেশি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ১৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। আর গত অর্থবছরের মার্চ মাসে মাত্র ১২৭ কোটি ৬২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। সব মিলে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৮৬০ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮২ কোটি ৯১ লাখ ডলার বা ৩৫.০৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৩৭৭ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরের পুরো সময়ে এসেছিল এক হাজার ৮২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

করোনার লকডাউনের কারণে প্রবাসী শ্রমিকদের চাকরি হারানো বা কাজ না পাওয়ার শঙ্কায় রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে করোনাকালে প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। অর্থাৎ প্রবাসে আমাদের জনশক্তি দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ভূমিকা রাখছে। এই অবস্থা ধরে রাখতে হলে আমাদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। নতুন বাজার খুঁজে বের করে সেখানে জনশক্তি রপ্তানি করতে হবে। একই সঙ্গে রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে নগদ প্রণোদনা চালু রাখতে হবে।

 



সাতদিনের সেরা