kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

এবার ইউপি নির্বাচন

স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখুন

৫ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউনিয়ন পরিষদে প্রথম ধাপের সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গত বুধবার ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১১ এপ্রিল কক্সবাজার, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সুনামগঞ্জ, মাদারীপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী ও রংপুর জেলার ৩৭১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ হবে।

ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হবে দলীয় প্রতীকে। নির্বাচনে অংশ নিতে সব দল নিজেদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেও এ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ তাদের ‘নৌকা’ প্রতীক নিলেও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক ছাড়াই নির্বাচনের প্রস্তুতি বিএনপি নেতাকর্মীদের। যদিও দলীয় প্রতীকে আসন্ন নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও যেসব ইউপি প্রার্থী বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন বা যাঁরা এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নিতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে দলটির পক্ষ থেকে এখনো সুস্পষ্ট কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি। জাতীয় পার্টি দলীয় প্রতীকে অংশ নেবে কি না সেটা চূড়ান্ত না হলেও ভোটের মাঠে থাকছে সেটা নিশ্চিত। অন্যদিকে বাম দলগুলো নিজেদের প্রতীকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে খবরে প্রকাশ।

স্থানীয় সরকারসহ দেশের সব নির্বাচনই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। আবার এটাও ঠিক যে নির্বাচনের আগে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অস্থিতিশীলতা, দ্বন্দ্ব-সংঘাত, হানাহানি বেড়ে যায়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিও ঘটে। অস্ত্রের ঝনঝনানি বেড়ে যায়। কয়েক দশক ধরে এমনটাই দেখে আসছে মানুষ। মানুষ তাই আগামী দিনের পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগে আছে। মানুষ চায় নির্বাচন হোক কিন্তু শান্তি বিনষ্ট না হোক; রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক সহনশীলতার পরিচয় দিক।

নির্বাচন গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। যেকোনো প্রকারে ক্ষমতা ধরে রাখতে বা যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসার জন্য অনেকে মরিয়া হয়ে ওঠে।

নির্বাচনকে মানুষ উৎসব হিসেবে দেখতেই অভ্যস্ত। সেই উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদে। আমরা আশা করব, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনও যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে।

 

মন্তব্য