kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণমুখী উদ্যোগ

রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন

১৩ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণমুখী উদ্যোগ

যেকোনো রাজনৈতিক সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে। সরকার যদি কল্যাণকামী ও জনমুখী হয়, তাহলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের দিকটি সব সময় প্রাধান্য পেয়ে থাকে। বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী তথা জনপ্রশাসনের দিকে যেমন তাঁর দৃষ্টি রয়েছে, তেমনি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে তিনি একের পর এক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছেন। তাঁর সৃষ্টিশীল কল্যাণমুখী উদ্যোগ ও নিষ্ঠা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

দেশের উন্নয়নে গতি আনতে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার যে কোনো বিকল্প নেই, তা উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালেই উপলব্ধি করা যায়। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে থাকতে হবে দায়বদ্ধতা। এই দায়বদ্ধতা জনগণের কাছে। অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেই জনগণের কাছে যেতে হবে। সেবক হিসেবে সেবা করতে হবে জনগণের একজন হয়ে। যেকোনো রাজনৈতিক সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা অনেকাংশেই নির্ভর করে তার দক্ষতার ওপর। সরকারের নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশ পরিচালনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সব সময় রাখতে হয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বহির্বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ায় সরকার এখন পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প গ্রহণ করতে পারছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দারিদ্র্য দূরীকরণ, সর্বজনীন শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু ও মাতৃত্ব পরিষেবা, অর্থনৈতিক উন্নতিসহ সার্বিক স্থিতিশীলতা অর্জনের পথে আজকের বাংলাদেশ। দেশের এই অগ্রযাত্রায় যিনি সামনে থেকে নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন, তিনি এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ ও জনগণের কল্যাণে তিনি নিয়োজিত। তাঁর ঐকান্তিক চেষ্টায় বাংলাদেশ যে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সফল হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিবাচক ও গতিশীল নেতৃত্ব যে দেশের সার্বিক চিত্র বদলে দিতে পারে, তা এখন প্রমাণিত।

আমরা কিছু উদাহরণ এখানে তুলে ধরতে পারি। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের ৩৩ জেলা বন্যার পানিতে ভাসছে। চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনা দলীয় ও সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বলেছেন, একটি পরিবারও ঘরহীন থাকবে না। মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজও শুরু হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং নদীভাঙনে গৃহহারাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা এরই মধ্যে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও বিদেশি বিনিয়োগ আনার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে সেগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দেশে একদিকে করোনায় সংক্রমণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, অন্যদিকে মানুষের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক করার জন্য সুপরিকল্পিত কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছেন। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন। সব মিলিয়ে যে আস্থার জায়গটি তৈরি হয়েছে, তা অবশ্যই ইতিবাচক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা