kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

করোনাঝুঁকি বাড়তে পারে

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই

৬ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরো বাড়ল বলা যায়। কোরবানির ঈদ ঘিরে শহর-নগর থেকে মানুষের গ্রামমুখী হওয়া, পশুর হাটে ভিড়, বিপণিবিতানে ঠাসাঠাসি প্রভৃতি কারণে এ ধরনের শঙ্কাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন সরকারের করোনাবিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্যরা। সতর্কতা ব্যক্ত করার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাও খুব একটা চোখে পড়েনি। তাই করোনা সংক্রমণ আগামী তিন সপ্তাহে অনেক বেড়ে যাওয়ার শঙ্কাই জোরালো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ এ কথাও বলছেন, যদি এ সময়ে সংক্রমণ খুব বেশি না বাড়ে তাহলে করোনা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা কম। এরই মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় সংক্রমণ ঘটেছে, এ কারণে আগামী দিনে আর খুব বড় ধাক্কা আসার আশঙ্কা নেই। তাঁদের ভাষ্য, এরই মধ্যে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে। আবার ভাইরাসটি বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে শুরুর সময়ের মতো জটিল প্রভাব ফেলতে পারছে না। অর্থাৎ এখন যারা সংক্রমিত হচ্ছে তাদের মধ্যে আগের মতো তীব্র শ্বাসকষ্টের উপসর্গ কম।

যাঁরা বলছেন ঝুঁকি বেড়েছে তাঁদের অভিমত, আমরা এরই মধ্যে ঝুঁকিতে পড়ে গেছি। সংক্রমণ বাড়ছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে খুব খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এর জন্য সাধারণ মানুষের যেমন দায় আছে, তেমনি সরকারেরও ভূমিকা পালন করার আছে। সরকারের নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ আরো জরুরি হয়ে পড়েছে। সেটা করতে না পারলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে। সবাইকে নিজ দায়িত্বে নিরাপদ থাকতে হবে। ঈদের সপ্তাহখানেক আগে যে অবাধ চলাচল শুরু হয়েছে সেটাই বড় শঙ্কা তৈরি করেছে।

আমরা করোনাঝুঁকিতেই আছি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে হেলাফেলা করা উচিত হবে না। সাবধানতাই যেহেতু এ রোগের প্রধান চিকিৎসা, অতএব অসাবধান হওয়া চলবে না। সাবধানে থাকতে হবে আরো কিছুদিন। সরকারকেও তৎপর থাকতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা