kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি

করোনা সংকটে সুফল মিলছে

৩ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি

সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় গত ১১ বছরে যে তথ্য-প্রযুক্তি অবকাঠামো গড়ে উঠেছে তার সুফল পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। এই করোনা সংকটকালে জরুরি সেবাসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তির কল্যাণে। ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ঘোষণা করেছিলেন। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে এর রোডম্যাপ, পলিসি, অবকাঠামোয় আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

কালের কণ্ঠে গতকাল প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এখন দেশের ১৬ কোটি ২৯ লাখ মোবাইল গ্রাহকের একটি বড় অংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। পাঁচ হাজার ৬০০ ডিজিটাল সেন্টার থেকে ৬০০ ধরনের সেবা পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। মোবাইলে আর্থিক সেবা, রাইড শেয়ারিং,    ই-কমার্সসহ বেশ কিছু সরকারি সেবা এখন হাতের নাগালে। এখানেই থেমে নেই ডিজিটাল সেবা। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষও ডিজিটাল উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে। জমির ই-পর্চা, মিউটেশন, ব্যাংকিং, পাসপোর্ট ফরম পূরণ, ভিসা আবেদন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ই-চালান, পেনশন ভাতাসহ নানা সেবা মিলছে। বিশ্বের ৬৭টি দেশে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন পণ্য ও সেবা রপ্তানি হচ্ছে। এ খাতের রপ্তানি আয় ছাড়িয়ে গেছে এক বিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালের মধ্যে এ খাত থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় করতে চায় সরকার। এ জন্য দেশে ২৮টি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক তৈরি করা হচ্ছে। দেশের সফটওয়্যার সেবার বাজার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই দেশি সফটওয়্যার নির্মাতারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। ২০২০ সালের মধ্যে গ্রামের ১০ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আসবে। আর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে দুই কোটি মানুষের। এ ছাড়া ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে গ্রামের ১০ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আসবে। দুই কোটি মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আশা করা হচ্ছে, ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় হবে।

বাংলাদেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। এখন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে দেশের তরুণদের দক্ষতা বাড়াতে দেশে প্রতিবছর যে বিপুলসংখ্যক আইটি গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে তাঁদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা