kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সিটি নির্বাচনের প্রচার শুরু

উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করুন

১১ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলবে ভোটের প্রচার। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে গতকাল ১০ জানুয়ারি। প্রচার শেষে ভোট হবে ৩০ জানুয়ারি। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়েও ভোট প্রার্থনা করবেন। ভোটের ফল নিজেদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর—এই তিনটি পদে মোট এক হাজার ৩৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে লড়াইয়ে ৭৫৮ জনের থাকা চূড়ান্ত হয়েছে। মেয়র পদে লড়াইয়ে এখন উত্তরে রয়েছেন ছয়জন, দক্ষিণে রয়েছেন সাতজন। উত্তরে সাধারণ কাউন্সিলর ২৫১ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭৭ জন লড়াইয়ে রয়েছেন। দক্ষিণে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৩৫ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। শুক্রবার সকালে প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। ফলে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজধানী। অভিযোগ রয়েছে বিধি লঙ্ঘন করে আগে থেকেই বিভিন্ন প্রার্থী প্রচার চালাচ্ছেন।

সংবিধান অনুযায়ী, যেকোনো নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনকে বেশ কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়। একটি নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ সরকার বা অন্য কারো নেই। নির্বাচন কমিশন এ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারে। তবে সব কিছুর আগে প্রয়োজন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সুসমন্বয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়তার পরিচয় দিতে হবে। বাংলাদেশে নির্বাচন হয় উৎসবমুখর পরিবেশে। কিন্তু উৎসবের আমেজের মধ্যেই দুঃখজনক ঘটনার অনেক উদাহরণ আছে। আর এসব দিকে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর দৃষ্টি দিতে হবে। কোনো প্রার্থী বিধি ভঙ্গ করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রার্থীদেরও মনে রাখতে হবে নির্বাচনে জয়-পরাজয় আছে। নির্বাচনের পরিবেশ উৎসবমুখর রাখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদেরও।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা