kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

কালের কণ্ঠ’র দশম বর্ষপূর্তি

পাঠকের আস্থায় এগিয়ে চলা

১০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশের পাঠকপ্রিয় কালের কণ্ঠ’র জন্মদিন আজ। আজ ১০ বছর পূর্তি করল কালের কণ্ঠ। ‘আংশিক নয় পুরো সত্য’ অঙ্গীকার নিয়ে প্রকাশের শুরু থেকেই কালের কণ্ঠ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পতাকা বহন করে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি যে পথচলা শুরু করেছিল, পাঠকের ভালোবাসায় আজও তা অব্যাহত রয়েছে। কালের কণ্ঠ মানুষের অকল্পনীয় ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে। ১০ বছর কালের কণ্ঠ সত্যকে সত্য হিসেবেই তুলে ধরেছে। পাঠকের আস্থা আর ভালোবাসাকে পাথেয় করে সদর্পেই এগিয়েছে কালের কণ্ঠ। ভবিষ্যতেও একইভাবে এবং একই ধারায় কালের কণ্ঠ এগিয়ে যাবে।

কালের কণ্ঠ গণমানুষের কথা বলে, সমাজ ও দেশের সার্বিক কল্যাণ চিন্তা করে। সমাজ-প্রগতির সংগ্রামেও কালের কণ্ঠ অগ্রগামী সৈনিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ। শুরু থেকেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তবুদ্ধিচর্চার ক্ষেত্রে কালের কণ্ঠ তার স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। গত ১০ বছরে কালের কণ্ঠ সচেতনভাবেই কিছু সামাজিক দায়িত্বও পালন করেছে। মাদক, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতনসহ নানা অপরাধ তৎপরতার বিরুদ্ধে কালের কণ্ঠ সব সময় ছিল সোচ্চার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তবুদ্ধিচর্চার ক্ষেত্রে কালের কণ্ঠ স্বকীয়তার পরিচয় দিয়েছে। কালের কণ্ঠ কোনো হুমকিতে মাথা নত করেনি; কোনো সমালোচনা গ্রাহ্য করেনি। দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থবিরোধী কিংবা অনৈতিক কিছুকে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ সমুন্নত রাখার কাজটি সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে করে যাচ্ছে। ২০১১ সালে আমরা নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়েছিলাম। ২০১২ সালে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে শহীদ জননীদের, যাঁরা একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে উৎসর্গ করেছিলেন তাঁদের সন্তানদের। সম্মাননা দেওয়া হয়েছে সেই বীর নারীদের, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নবম জন্মদিনে সম্মান জানানো হয় অসম সাহসী ১০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, যাঁরা জীবন বাজি রেখেছিলেন যুদ্ধের ময়দানে। গত বছর আমরা সম্মান জানিয়েছি সেই শিক্ষকদের, যাঁরা তাঁদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জীবনের স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন। এ বছর নানা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২৫ জনকে সম্মাননা জানাচ্ছে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে ঢাকার বাইরে সম্মাননা জানানো হচ্ছে দেশের সেই কৃতী সন্তানদের, যাঁরা ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন।

আমাদের এই দশক পূর্তি সম্ভব হয়েছে পাঠকদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে। পাঠকই আমাদের প্রথম বিবেচনা। আগামী দিনগুলোতেও পাঠকদের একই রকম ভালোবাসা ও সহযোগিতা পাব, সেই বিশ্বাস আমাদের আছে। আজ দশম বর্ষপূর্তিতে কালের কণ্ঠ’র অসংখ্য পাঠক, লেখক, শুভানুধ্যায়ী, বিজ্ঞাপনদাতা, বিপণনকর্মী—সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন। সবার মিলিত প্রয়াসেই কালের কণ্ঠ’র এগিয়ে চলা। সবার ভালোবাসা, পরামর্শ ও সহযোগিতাই আমাদের চলার পথের পাথেয়। সবাইকে অভিনন্দন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা