kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা

বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করতে হবে

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রপ্তানিতে সুখবর নিয়েই শুরু হয়েছিল নতুন অর্থবছর। কিন্তু দ্বিতীয় মাস থেকেই তা কমতে শুরু করে। এর পর থেকে দেশের রপ্তানি আয় কমছেই। পণ্য রপ্তানিতে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। প্রতি মাসেই কমছে এই আয়। অক্টোবর মাসে ৩০৭ কোটি ৩২ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। যা গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে ১৭.১৯ শতাংশ কম। লক্ষ্যের চেয়ে আয় কমেছে প্রায় ১২ শতাংশ। দেশের রপ্তানিপ্রক্রিয়ায় অবকাঠামোগত জটিলতা রয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। এ সময়েই আশার কথা শোনাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউএসএআইডি। এক গবেষণায় সংস্থাটি দেশের বেসরকারি ১৬টি খাতকে প্রতিশ্রুতিশীল ও সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আর যে খাতটিকে এখন পর্যন্ত দেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়, সেই তৈরি পোশাক খাতকে বাইরে রেখে করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব খাত দ্রুত উন্নতি করবে, দেশের বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রেও গতি আনবে। গবেষণা অনুযায়ী প্রতিশ্রুতিশীল ১৬টি খাত হচ্ছে, অ্যাগ্রো-প্রসেসিং বা কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, অটোমোটিভ/ট্রাক/বাস অ্যাসেম্বলিং অর্থাৎ সংযোজন, সিরামিক, এন্টারপ্রেনারশিপ, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আউটসোর্সিং, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা যন্ত্রপাতি শিল্প, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধসামগ্রী, প্লাস্টিক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতা, জাহাজ নির্মাণ, চিংড়ি ও মৎস্য, টেলিযোগাযোগ এবং পর্যটন। একই সঙ্গে এই গবেষণায় কৃষি বাণিজ্য, হালকা প্রকৌশল শিল্প, আইসিটি ও আউটসোর্সিং, পর্যটন, ওষুধশিল্প ও স্বাস্থ্যসেবা খাতকে দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে মুখ্য খাত হিসেবে চিহ্নিত করে বলা হয়েছে—এই ছয় খাত জিডিপিতে ১০ শতাংশ অবদান ও ৩৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। আগামী ২০২৩ সাল শেষে ৬০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘কম্প্রিহেনসিভ প্রাইভেট সেক্টর অ্যাসেসমেন্ট’ বিষয়ে পরিচালিত গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব খাত দ্রুত উন্নতি করবে, দেশের বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রেও গতি আনবে। এখন আমাদের করণীয় হচ্ছে, এসব খাত বিকাশের পথে কোনো বাধা থাকলে তা দূর করা। পাশাপাশি গড়ে তুলতে হবে ব্র্যান্ড হিসেবে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং এনে দিতে পারে নতুন সাফল্য। আর এ জন্য বেসরকারি খাতের বিকাশে সরকারকেও সহযোগীর ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা