kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা বিশ্ব

কখনো যোদ্ধা কখনো চিয়ারলিডার

৫ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কখনো যোদ্ধা কখনো চিয়ারলিডার

করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বন্দি দিনগুলো কারোরই ভালো লাগার কথা নয়। কেউ কারোর বাসায় যাচ্ছে না। কেউ কারোর জন্য অপেক্ষাও করছে না। গোটা দুনিয়ার মতো গৃহবন্দি দিন কাটাচ্ছে ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্বের ওয়েস্ট বোল্ডনের বাসিন্দারাও। তারা কিন্তু প্রতিদিন একজনের আশায় তাকিয়ে থাকে জানালার দিকে। তিনি জন ম্যাটসন।

৩৯ বছর বয়সী দুই সন্তানের জনক ম্যাটসন পেশায় ডাকপিয়ন। জরুরি কাগজপত্র বিলির কাজটা তাঁকে করতেই হচ্ছে। কদিন ধরে চিঠিপত্র বিলি করতে গিয়ে দেখলেন এলাকায় থমথমে ভাব। কী করা যায়? মজার মানুষ ম্যাটসন। শহরবাসীকে কী করে উৎফুল্ল রাখা যায় বুদ্ধিটা বের করতে সময় লাগল না। আলমিরা থেকে বের করে পরে নিলেন সাজপোশাক। এরপর থেকে কখনো যোদ্ধার বেশে, কখনো চিয়ারলিডার সেজে বাড়ির সামনের রাস্তায় হাজির হচ্ছেন চিঠির ঝোলা হাতে। চিঠি তো দিচ্ছেনই, সঙ্গে শুনিয়ে দিচ্ছেন কৌতুকও। এলাকাবাসীকে রীতিমতো মাতিয়ে রেখেছেন ম্যাটসন।

পোশাকগুলো পেলেন কী করে? প্রতি বছর ইংল্যান্ডের নর্থ সি-তে একটা সাঁতার উৎসব হয়। উৎসবের নাম বক্সিং ডে ডিপ। বিচিত্র সব পোশাক পরে নামতে হয় পানিতে। ম্যাটসন ওই উৎসবের নিয়মিত অংশগ্রহণকারী। সেই সূত্রে তাঁর সংগ্রহে অভাব নেই বৈচিত্র্যময় পোশাকের।

এরপর একদিন অফিসে গিয়ে বসের কাছে আগে অনুমতি নিয়েছিলেন, কাজের মধ্যে মানুষকে বিনোদন দেওয়া যাবে কি না। বস কি আর ‘না’ বলবেন! চিয়ারলিডারের পোশাক পরে রাস্তায় নামতেই মানুষ দূর থেকে তাঁকে স্বাগত জানায়। সাড়া পেয়ে বেজায় খুশি হন ম্যাটসন। এরপর থেকে এখনো প্রতিদিন মজার মজার পোশাক পরে চিঠি রেখে যাচ্ছেন বাক্সে।

—ফয়সল আবদুল্লাহ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা