kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা প্রতিরোধে শিক্ষার্থীরা

বিশ্ব আতঙ্কিত। আমাদের দেশেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। করোনা চিকিত্সায় আবিষ্কার হয়নি ওষুধ। তাই উপায় করোনা সংক্রমিত হওয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকা। করোনা সচেতনতায় বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও নিয়েছেন নানা উদ্যোগ। সেসব জানাচ্ছেন জুবায়ের আহম্মেদ

২৯ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



করোনা প্রতিরোধে শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইম অ্যাকশনের কর্মীদের মূকাভিনয়

মূকাভিনয়ে সচেতনতা

১৩ মার্চ, শুক্রবার। টিএসসি প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা গেল কয়েকজন মূকাভিনয়ের মাধ্যমে কোলাকুলি করা যে বারণ তা দেখিয়ে দিচ্ছেন। এ উদ্যোগটি নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইম অ্যাকশনের কর্মীরা। মূকাভিনয়ের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, হাত ধোয়া, কোলাকুলি ও করমর্দন না করার বিষয়গুলো তুলে ধরেন তাঁরা। করোনা প্রতিরোধে প্রথমেই দরকার কিভাবে একজন সংক্রমিত হয় সে সম্পর্কে ধারণা রাখা। আর সেই কাজগুলোই তাঁরা মূকাভিনয়ের মাধ্যমে মানুষের কাছে জানিয়ে দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্যও করোনা সচেতনতা নিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের এক কর্মী বলেন, ‘করোনা বৈশ্বিক একটি মহামারিতে পরিণত হয়েছে। আমাদের দায়িত্ববোধ থেকেই কাজগুলো করেছি।’ এদিকে নিজস্ব গবেষণাগারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদ। এগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে হ্যান্ড রাব দিচ্ছেন

ডায়াবেটিক রোগীদের হ্যান্ড রাব দিলেন তাঁরা

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মা সোসাইটির ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে জানিয়ে দেওয়া হয় পরের দিন বিভাগের ল্যাবে হ্যান্ড রাব বানানো হবে। ঠিক ১০টায় হাজির শিক্ষার্থীরা। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারপারসন ড. ইভা রহমান কবিরসহ অন্য শিক্ষকরা। প্রথম দিন পরীক্ষামূলকভাবে বানানো হয় প্রায় ১০০ বোতল হ্যান্ড রাব। এরপর পর্যায়ক্রমে বানানো হয় আরো এক হাজার ৫০০ বোতল। এতগুলো হ্যান্ড রাব উত্পাদনেও যেন ক্লান্তি নেই। ক্লিনিং বিভাগ, উত্পাদন বিভাগ, ফিলিং বিভাগ, লেবেলিং বিভাগ, প্যাকেজিং বিভাগ—এভাবে আলাদা আলাদা কাজ করেছেন শিক্ষার্থীরা। পুরো কর্মযজ্ঞের আয়োজক ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ফর্মেসি বিভাগ ও ফার্মা সোসাইটি। ২২ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ড্রোকাইনোলজি বিভাগে রোগীদের জন্য ৩০০ বোতলের বেশি হ্যান্ড রাব বুঝিয়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও হ্যান্ড রাব বিতরণ করা হয়। ২৩ মার্চ গুলশান এলাকার রিকশাচালক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সচেতনতার পাশাপাশি দেওয়া হয় ৫০০ করোনাভাইরাস সেফটি কিট। প্রতিটি কিটে মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড গ্লাভস ছিল। পাশাপাশি বিতরণ করা হয় হ্যান্ড রাবও। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদেরও দেওয়া হয়। শুধু ঢাকায় নয়, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালেও দেওয়া হয় এই হ্যান্ড রাব। 

 

বুয়েট শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ

১৬ মার্চ থেকে বুয়েটের সাধারণ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অর্থে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানো শুরু হয়। উদ্দেশ্য বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তার, ইন্টার্ন এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সহায়তা করা এবং বিনা মূল্যে স্যানিটাইজার বিতরণ। প্রফেসর ড. শাখাওয়াত এইচ. ফিরোজ, লেকচারার কাউসার আহমেদ এবং ১০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে শুরু হয় এই কার্যক্রম। সাহায্য করেছে বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র চন্দ্রনাথের ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ ও শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘রক্ষী’ ও ‘স্বপ্ন সারথি’।  ঢাকাসহ ঢাকার বাইরের ২২টি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার। প্রথম দিকে প্রায় পাঁচ হাজার বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করেন তাঁরা। ২৫ মার্চ আরো প্রায় ১৭৫ কেজি পরিমাণ স্যানিটাইজার জারে করে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ১৩টি হাসপাতালে বিতরণ করা হয়। ‘স্বপ্ন সারথি’ সংগঠনের উদ্যোগে এবং ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ ও ‘রক্ষী’ স্টার্টাপের সার্বিক সহায়তায় ৬১০টি মাস্ক, ৬০০ সার্জিক্যাল গ্লাভস, ১০০০ ডিসপোসেবল গ্লাভস, ৪০০ সার্জিক্যাল ক্যাপ এবং ১৬৫টি সেইফটি গগলস ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট চারটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল প্রশাসনের কাছে  পৌঁছে দেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বানানো হ্যান্ড স্যানিটাইজার

গভীর রাতেও গবেষণাগারে

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)। ১৩ মার্চ। লেভেল ৩, টার্ম ২-এর ক্লাসের শেষ দিন। ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের বললেন, তোমরা গবেষণাগারে আসো। শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে দেখলেন, আইসোপ্রপাইল অ্যালকোহল, অ্যালোভেরা। এগুলো দেখেই তাঁদের বুঝতে অসুবিধা হলো না কী করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের রেসিপি ধরিয়ে দিলেন। প্রথমে কিছু স্যাম্পল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানো হলো। যে নমুনা পছন্দ হয়েছে, সেটা অনুসারে বাকি স্যানিটাইজারগুলো বানানো হলো। এগুলো বানাতে তাঁদের চার দিন সময় লেগেছিল। প্রথম ধাপে ৪০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানো হয়। তারপর বুটেক্সের  ২৫তম ব্যাচের সাজ্জাদুর রহমান বুলবুল তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তিনি এক হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির অর্থ ও অ্যালকোহলের ব্যবস্থা করে দেন। পরের দিন মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী মিলে এক হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানোর জন্য ল্যাবে ঢোকেন। রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করেন এবং ওই রাতেই সব বানানো শেষ করেন। এক হাজার বোতলের মধ্যে ৪০০ বোতল উত্তরায় সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করেন বুলবুল। বাকি ৬০০ বোতল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছিল। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের পাশাপাশি ফ্লোর ক্লিনারও বানিয়েছিলেন তাঁরা। যা প্রতিটি হলের ফ্লোরে ফ্লোরে ড্রাম ভর্তি করে দেওয়া হয়। টিস্যু দিয়ে মাস্ক বানিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরহাদ হোসেন, নুসরাত জাহান, মুস্তাফিজুর রহমান এ কাজে অনেক অবদান রাখেন। অন্যদিকে বুটেক্সের ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের শিক্ষকরা তৈরি করেছিলেন মাস্ক ও কাপড়ের মুখোশ। ১০০টি মাস্ক পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করেন তাঁরা।

 খুলনা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বানানো হ্যান্ড স্যানিটাইজার

সামাজিক সচেতনতায়

করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম দেখে ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে খুলনা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) রসায়ন বিভাগ হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুত ও বিতরণে উত্সাহী হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেনের আর্থিক সহায়তায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানোর রাসায়নিক কেনা হয়। ১৯ মার্চ বিকেল থেকে রসায়ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কাজ শুরু করে ধাপে ধাপে এক হাজার বোতল স্যানিটাইজার বানানো শেষ  করেন।  কুয়েটের সব হল খালি করার নির্দেশ থাকায় ছাত্রদের উপস্থিতি কম ছিল। এ জন্য স্থানীয় ছাত্ররাও সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি শেষে প্রথমে ছাত্রদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়। পরের দিন কুয়েটের আশপাশের এলাকাসহ অন্যান্য শিক্ষক ও এলাকাবাসীর কাছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। সাবেক কুয়েটিয়ানরা পিপিই ক্যাম্পাসে বানানোর উদ্যোগ নিতে চাইলেও ক্যাম্পাসের সব কাজকর্ম বন্ধ থাকায় বাইরে থেকে কিনে খুলনার আশপাশের সরকারি হাসপাতালে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এ ছাড়া কুয়েটের সংগঠন ‘ট্রাই’ থেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার ও পিপিই বানানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

 

সচেতনতায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘টুগেদার ফর এনভায়রনমেন্ট’ পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন সচেতনতামূলক কাজেও এগিয়ে। করোনা মহামারি যখন বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তার শুরু করে, তখন তারা চিন্তা করল—এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। নিজেদের ফান্ড থেকে কেনা সাবান ও ‘গিফট ফর গুড’-এর সরবরাহ করা হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করে ৫০ জন রিকশাচালককে। ২২ মার্চ খিলগাঁওয়ে এ কার্যক্রম চালায় তারা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় কী তা-ও জানানো হয় তাঁদের। অন্যদিকে এসব নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবেও কাজ করেছে ‘গিফট ফর গুড’ ও ‘টুগেদার ফর এনভায়রনমেন্ট’। সারা দেশ থেকে অনুদান তুলে খাবার কেনা হয়েছে। সেই খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজে অংশ নিয়েছে ‘টুগেদার ফর এনভায়রনমেন্ট’। ‘গিফট ফর গুড’ থেকে খাবার সংগ্রহ করে তা ২৪ মার্চ বিতরণ করা হয়েছে ৪০ জনের মধ্যে।

 

১৫০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের এখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির  উদ্যোক্তা ফার্মেসি বিভাগের প্রধান ড. মুনীরুদ্দীন আহমেদ স্যার। ছিলেন ফুড অ্যান্ড সায়েন্স নিউট্রিশন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক ড. মাহতাব উদ্দিন স্যার। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোনো আর্থিক অনুদান ছাড়াই পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করা হয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং হ্যান্ডওয়াশ। সহযোগিতা করেছিলেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি ও ফুড অ্যান্ড সায়েন্স নিউট্রিশন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. সবুর খান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ফান্ড থেকে অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক-ছাত্ররা প্রায় ১৫০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানাতে সক্ষম হন। এগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও বিতরণ করা হয়। ঢাকা মেডিক্যালে প্রায় ২০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়।

 

আরো যত উদ্যোগ

করোনা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে দেয়ালপত্রিকা তৈরি করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থীরা। হাতে আঁকা ছবি ও লেখার মাধ্যমে করোনার লক্ষণ, বিবরণ ও আক্রান্ত হলে করণীয় সম্পর্কে তথ্য ফুটিয়ে তোলেন তাঁরা। কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে লঞ্চে চাঁদপুর গিয়ে লঞ্চঘাটে নামার সময় চোখে পড়ল, কয়েকজন তরুণ লিফলেট বিতরণ করছে। তাতে করোনাভাইরাস-সম্পর্কিত সচেতনতামূলক এবং প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে লেখা। লিফলেটের নিচে লেখা—সচেতনতায় তারুণ্যের অগ্রদূত। তাঁরা সবাই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। করোনা সম্পর্কে স্কুলের শিশুদের সচেতনতামূলক ক্লাস নিয়েছেন। তারপর চাঁদপুর সদর জুড়ে প্রায় দুই হাজার ৫০০-এর বেশি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছেন তাঁরা। এ ছাড়া প্রায় ১২০ ব্যাগ খাদ্যসামগ্রী কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বিরতণ করবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা