kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

শুরুতে হাসো

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



♦    বিচিত্রানুষ্ঠানে এক উঠতি গায়িকার গান শুনে প্রধান অতিথি বিরক্ত হয়ে পাশের ভদ্রলোকটির উদ্দেশে বললেন—

     : আচ্ছা দাদা, এ ভদ্রমহিলা আর কতক্ষণ গানের নামে গালবাজি করবেন?

     : উনি আমার স্ত্রী।

     : আসলে গায়িকার কোনো দোষ নেই। গানটার না আছে সুন্দর কথা, না আছে সুর, কোন ছাগলে লিখেছে কে জানে।

     : গানটি আমারই লেখা।

 

♦    একটা হাসপাতালে প্রতিদিন একই রুমে একই সময়ে একজন করে রোগী মারা যায়। এর কারণ চিকিত্সকরা কোনোভাবেই বের করতে পারছিলেন না। অতএব, একটা গোয়েন্দা টিম গঠন করা হলো। পরের দিন ওই রুমে পাহারা বসানো হলো এবং গোয়েন্দারা মৃত্যুর কারণ বের করলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তারা জানালেন, ‘আপনাদের হাসপাতালের ঝাড়ুদার এই কাজটা করে। ও প্রতিদিন সব রুম ঝাড়ু দিয়ে শেষ রুমে এসে রোগীর অক্সিজেন টিউবের বিদ্যুতের সংযোগ খুলে মোবাইলে চার্জ দেয়।

 

♦    চিত্র প্রদর্শনীতে গেছেন এক বিখ্যাত ডাক্তার। তিনি ছবির কিছুই বোঝেন না। একটি ছবির সামনে খুব ভিড়, নাম ‘মৃত্যু’। একজন লোক মাঠে মরে পড়ে আছে। ডাক্তারকে তার বন্ধু জিজ্ঞেস করলেন, ‘কউ রকম দেখছিস।’

     ডাক্তার : চোখে-মুখে হলদে ভাব দেখছি, খুব সম্ভব এটা জন্ডিসের কেস ছিল।

 

♦    এক লোক মেশিনে কাজ করতে গিয়ে তার বাঁ হাত কেটে ফেলল। হাসপাতালে ভর্তি হলো। তার এক বন্ধু তাকে দেখতে এলো।

     বন্ধু : তোর তো ভাগ্য অনেক ভালো বলতে হবে যে তোর বাঁ হাত কাটা গেছে। ডান হাত কাটা গেলে তো খবর আছিল।

     যার হাত কাটা গেছে সে বলল : আরে বেকুব আমার তো ডান হাতই কাটা যাচ্ছিল, বুদ্ধি করে ডান হাত বের করে বাঁ হাতটা ঢুকিয়ে দিয়েছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা