kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

শুরুতে হাসো

৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুরুতে হাসো

হাঁপাতে হাঁপাতে ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড ম্যানেজারের রুমে ঢুকে বলল, ‘স্যার, সর্বনাশ হয়ে গেছে! রাস্তায় ডাকাত গাড়ি থামিয়ে সব টাকা-পয়সা নিয়ে গেছে।’

ম্যানেজার : কেন! তোমার কাছে পিস্তল ছিল না?

সিকিউরিটি গার্ড : স্যার, ওটা নিতে পারেনি। আমি বুদ্ধি করে ওটা মোজার ভেতর লুকিয়ে রেখেছিলাম।

 

পুলিশ : চুরিটা কি তুমি একাই করেছ?

চোর : জি, স্যার। বর্তমানে যা দিনকাল পড়েছে, কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না।

 

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মা রচনাকে জিজ্ঞেস করল, ‘কী রে রচনা, তোর রোল নাম্বার কত হয়েছে?’

রচনা : দুই।

মা : বলিস কী! সারা বছর প্রাইভেট টিচার রেখে লেখাপড়া করালাম, তার পরও রোল নম্বোর মাত্র দুই! পাশের বাসার সুরমা ঠিকমতো পড়ে না, স্কুলেও যায় না অথচ ওর রোল ৮২। ভেবে দেখ, কার রোল বেশি?

 

শিক্ষক : বল তো জামান, টিভি দেখার ফলে আমাদের সমাজে কী কী পরিবর্তন এসেছে?

জামান : স্যার, মারামারির প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষক : কী করে বুঝলে?

জামান : পড়া ফেলে যতবারই টিভি দেখি, ততবারই বাবা মারেন!

 

‘বড় হয়ে যা হতে চাই’—রচনা লিখতে দিয়ে স্যার খেয়াল করলেন, সবাই লিখলেও কোনায় বসা এক ছেলে চুপচাপ বসে আছে।

স্যার : ব্যাপার কী, কিছু লিখছ না কেন?

ছাত্র : আমারটা আমার পিএস লিখবে, স্যার।

স্যার : মানে?

ছাত্র : মানে স্যার, আমি বড় হয়ে মন্ত্রী হতে চাই। আর মন্ত্রীদের সব বক্তব্যই তো পিএসরা লিখে দেয়।

 

প্রথম বন্ধু : কী ব্যাপার, তোমার ছেলেটাকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখে শাস্তি দিচ্ছ কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু : আর কেন! আগামীকাল ওর পরীক্ষার ফল দেবে। এদিকে আমাকে আজই আবার ঢাকার বাইরে যেতে হবে কিনা।

 

বারবার পরীক্ষায় ফেল করায় বাবা তার ছেলেকে শাসন করে বলল, ‘এবার যদি পরীক্ষায় ফেল করিস, তাহলে আমাকে আর বাবা বলে ডাকবি না।’

কিছুদিন পর পরীক্ষার রেজাল্ট বের হলো। ছেলে বাসায় আসার পর বাবা জিজ্ঞেস করল, ‘কী রে, তোর রেজাল্ট কী?’

ছেলে : আবারও ফেল করেছি মতিন সাহেব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা