kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

টেক টাশকি

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টেক টাশকি

প্রতিদিন কোটি কোটি এসএমএস আদান-প্রদান হচ্ছে। কিন্তু প্রথম এসএমএস কে কাকে পাঠিয়েছিল জানো? যুক্তরাজ্যের নিল পেপারওয়ার্থ নামের এক ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত কম্পিউটার ব্যবহার করে জারভিস নামের এক বন্ধুর অরবিটাল ৯০১ মডেলের একটি ফোনে প্রথম এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ‘মেরি ক্রিসমাস’—বড়দিনের শুভেচ্ছা। সালটা ছিল ১৯৯২।

 

এখন তো প্রতিদিন বলতে গেলে ঘণ্টায় ঘণ্টায় একটি করে এসএমএস আসে আমাদের ফোনে। এসএমএস নিয়ে বিরক্তির শেষ নেই আমাদের। কিন্তু সবাই যতই বিরক্ত হোক না কেন, বিশ্বে গড়পড়তা এসএমএস পড়ার হার ৯৮ শতাংশ। মানে মাত্র ২ শতাংশ এসএমএস আমরা না পড়েই ডিলিট করে ফেলি। আর এসএমএসের উত্তর দেওয়ার হারটাও নেহাত কম নয়—৪৫ শতাংশ!

 

আমাদের দেশে সরাসরি কল করার রেওয়াজটা বেশি চালু হলেও বাইরের অনেক দেশে কিন্তু এসএমএসই বেশি চলে। সেই হিসাবে বিশ্বের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে এসএমএস আদান-প্রদান হয় ৭০ শতাংশ আর কল করা হয় ৪৩ শতাংশ। আর ১৩ শতাংশ দুটোই সমান তালে চালায়।

মাইবিজিবি ডট নেট সাইট বলছে, ফিলিপাইনই একমাত্র দেশ, যেখানে কিনা মানুষের চেয়ে ফোন বেশি। দেশটির জনসংখ্যা এখন প্রায় ১০ কোটি ২০ লাখ। আর ফোন আছে ১০ কোটি ৬০ লাখ।

 

নকিয়ার পুরনো ফোনগুলোতে এসএমএস এলে একটা বিশেষ রিংটোন বাজত। সেটা অনেকটা টুঁ টুঁ টুঁট... টুঁ...টু...  টুঁ টুঁ টুঁট। এটা কিন্তু ইংরেজি এসএমএসের তিনটি অক্ষরের মোর্স কোড—তথা সর্বজনস্বীকৃত সাংকেতিক কোড।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা