kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

শুরুতে হাসো

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুরুতে হাসো

খুকি : ও বুড়িমা, তোমার বয়স কত হলো?

বুড়ি : এই বছর কুড়ি হলো।

খুকি : বলো কী! মাত্র কুড়ি!

বুড়ি : হ্যাঁ রে! এর বেশি আর গুনতে পারি না!

 

বড় ভাই : কোন ড্রেস সবার আছে কিন্তু কেউ গায় দেয় না?

ছোট ভাই : অ্যাড্রেস।

 

শফিক হঠাৎ রাস্তায় একটা বোতল পেল। বোতলের মুখ খুলতেই ভুর ভুর করে ধোঁয়া বেরোতে লাগল। দেখতে দেখতে ধোঁয়াটা বিশাল এক দৈত্য হয়ে গেল।

দৈত্য : হুকুম করুন মালিক।

লোক : অ্যাঁ...ইয়ে...মানে?

দৈত্য : কী চাই আপনার?

লোক : ইয়ে...গুলশানে একটা বাড়ি।

শোনামাত্র শফিককে থপাস করে এক চড় বসিয়ে দিয়ে দৈত্য বলল, ‘আরে, তোকে বাড়ি দিতে পারলে আমি কি বোতলের ভেতর থাকি?’

 

শিক্ষক বললেন, ‘রেজা, লম্বা একটা শব্দ বল তো।’

রেজা : রাবার, স্যার।

শিক্ষক : এটা তো ছোট শব্দ।

রেজা : টানলেই লম্বা হবে, স্যার।

 

শিক্ষক : শীতকালে অতিথি পাখিরা সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আমাদের দেশে আসে কেন?

ছাত্র : স্যার, ওদের তো পয়সা নেই, প্লেনের টিকিট কাটতে পারে না, তাই নিজেরাই কষ্ট করে উড়ে আসে।

 

কাকা : শোন, জীবনে উন্নতির জন্য দুটি জিনিস প্রয়োজন। প্রথমটি হচ্ছে সততা আর দ্বিতীয়টি বুদ্ধি। যেমন কাস্টমারকে কথা দিয়েছিস যে তুই তাকে তার মাল ঠিক সকাল ১০টায় দিবি। আর ঠিক সকাল ১০টায় দেওয়াটাই হচ্ছে সততা।

ভাতিজা : তা তো বুঝলাম, তবে বুদ্ধিটা কী রকম?

কাকা : কাউকে কখনো এ রকম কথা না দেওয়াটাই বুদ্ধি।

 

পুলিশ : এক সপ্তাহে তুমি মোট ৯ বার চুরি করেছ?

চোর : জি স্যার, কাজে আমার আলস্য নেই।

 

বাবা : তুমি বড় হয়ে কী হতে চাও? চোখের ডাক্তার, না দাঁতের ডাক্তার?

ছেলে : দাঁতের ডাক্তার, বাবা।

বাবা : কেন, দাঁতের ডাক্তার কেন?

ছেলে : চোখ তো মাত্র দুটো করে, আর দাঁত একেকজনের ৩২টা। দাঁতের ডাক্তার হলেই বেশি পয়সা আসবে।

 

সংগ্রহ : রনী মাহমুদ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা