kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

অবাক পৃথিবী

টুডি ক্যাফে

আশিকুর রহমান   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টুডি ক্যাফে

ঢুকেছেন খাবার খেতে। কিন্তু রেস্টুরেন্টের চেয়ারে বসার পরই মনে হব, ইশ! হাতের কাছে কেন যে রং পেনসিল নেই। কারো আবার মনে হবে, একি! রেস্তোরাঁয় ঢুকতে গিয়ে ভুল করে আবার ছবি আঁকার খাতায় ঢুকে পড়িনি তো?

মজার এ রেস্তোরাঁ আছে জাপানের টোকিওতে। নাম টুডি ক্যাফে। মানে দ্বিমাত্রিক খাবারের ঘর। রং না থাকলেও মনে হবে, এইমাত্র কোনো কার্টুনিস্ট এসে এঁকে দিয়ে গেছে আস্ত রেস্তোরাঁটি। দেয়াল থেকে শুরু করে যাবতীয় ফার্নিচার, সব কিছুতেই রয়েছে আউটলাইন। দেখে মনে হবে, এখনই বুঝি কোনো শিশু এনে এখানে রং করতে বসে পড়বে।

প্রকৃতির ক্যানভাসে

ফ্রান্সের দক্ষিণে আছে লুপ নদী। তার পারে আছে এক বন। সেখানে থাকেন শিল্পী স্পেনসার বাইলস। শিল্পকর্ম তৈরি তাঁর কাজ। কিন্তু রংতুলি ব্যবহার করেন না। তাঁর শিল্প তৈরির মাধ্যম প্রকৃতি। লুপের জঙ্গলই তাঁর ক্যানভাস। গাছের গুঁড়ি, লতা, শিকড়—এগুলো অক্ষত রেখেই বানিয়ে চলেছেন অদ্ভুত সব নকশা। বিশেষ করে লতা ও শিকড়কে গোল করে মুড়ে অদ্ভুত এক রূপকথার জগৎ বানিয়ে চলেন বাইলস। মাঝেমধ্যে গাছের মরা ডালপালা জোগাড় করে তৈরি করেন আধিভৌতিক ভাস্কর্য।

আয়না ভেঙে

শোরুমের গ্লাসে কেউ ঢিল ছুড়ে পালালে মেজাজ চরমে ওঠার কথা দোকানির। কিন্তু লোকটা যদি হয় সুইজারল্যান্ডের সায়মন বার্গার, তবে যেচে দোকানিরা তাকে ডেকে আনবেন গ্লাস ভাঙার জন্য। এমনকি আয়না ভাঙার জন্য সায়মনের হাতে ধরিয়ে দেবেন মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিকও। বড় বড় আয়নায় জুতসই স্থানে সামান্য ফাটল ধরিয়ে অনবদ্য সব শিল্পকর্ম তৈরি করেন সায়মন। তাঁরই একটি নমুনা দেখা যাচ্ছে ছবিতে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা