kalerkantho

বুধবার । ২৪ জুলাই ২০১৯। ৯ শ্রাবণ ১৪২৬। ২০ জিলকদ ১৪৪০

ঝটপট

কাগজের সাকুলেন্ট

১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কাগজের সাকুলেন্ট

সাকুলেন্ট হলো এমন কিছু ছোটখাটো গাছ, যেগুলোর পাতা বেশ মোটাসোটা। পানি ধরে রাখতে পারে এ পাতাগুলো। তাই অনেক দিন পানি না দিলেও টিকে থাকে সাকুলেন্ট। গাছগুলোর যত্ন নেওয়া যেমন সহজ, তেমনি এগুলো দেখতেও মনোরম। গাছ যারা পছন্দ করো, তারা ছোটখাটো শোপিস বানাতে বেছে নিতে পারো সাকুলেন্টের নকশা।

যা যা লাগবে

রঙিন মোটা আর্টপেপার বা কার্ডস্টক

কাঁচি ও আইকা আঠা

প্যাস্টেল

যেভাবে বানাবে

কার্ডস্টক দোকানেই কিনতে পাওয়া যায়। কার্ডস্টকের মানে হলো, কার্ড বানানোর উপযোগী একতাড়া রঙিন মোটা কাগজ।

আঁকার হাত ভালো না হলে ইন্টারনেটের সাহায্যে নামিয়ে নাও ফুলের নকশা আঁকা আউটলাইন। তারপর আউটলাইনটাকে ছোট-মাঝারি-বড় এই তিন আকারে প্রিন্ট দিয়ে নাও।

আউটলাইন বসিয়ে কাঁচি দিয়ে সাবধানে কেটে নাও কার্ড। মোট সাতটি পাতার সারি বানাতে হবে। এর মধ্যে প্রথম দুটি বড়, পরের তিনটি মাঝারি ও একেবারে ছোট সাইজ হবে দুটি। বা গাছটাকে নিখুঁত ও দৃষ্টিনন্দন করে বানাতে চাও, তবে আগে একটু যাচাই করে নাও যে প্রতিটি ভাগে কয়টি করে পাতা থাকলে একটার ওপর আরেকটা বসাতে সুবিধা হবে। ছবিতে দেখে নাও। সবচেয়ে বড় ভাগটিতে রয়েছে সাতটি পাতা। গাছের আকার যদি বড় হয়, তবে এর সবচেয়ে বড় সারিতে পাতার সংখ্যা ৯ বা ১১ও হতে পারে। এরপর আনুপাতিক হারে কমতে থাকবে পাতার সংখ্যা। ছবিতে চোখ বুলাও, দেখবে সবচেয়ে ওপরে থাকা সবচেয়ে ছোট অংশে রয়েছে মাত্র তিনটি পাতা।

মাপমতো পাতা কাটা হয়ে গেলে আর চিন্তা নেই। এবার প্রতিটি পাতার এক পাশে প্যাস্টেল দিয়ে লাল কিংবা বাদামি বা হলুদ রং ঘষে দিতে পারো। তারপর পাতাগুলোর প্রান্তগুলো আঙুল দিয়ে সাবধানে ভাঁজ করে নাও।

এবার প্রতিটি পাতার সারির নিচে আঠা দিয়ে একটার ওপর আরেকটা বসিয়ে দাও। বসানোর সময় খেয়াল রাখবে, যাতে একটি পাতার সরাসরি নিচে আরেকটি পাতা না পড়ে। একটু ডানে বা বাঁয়ে যেন থাকে। এর ফলে একটা পাতার আড়ালে আরেকটা পাতা পুরোপুরি ঢাকা পড়বে না।

সাকুলেন্ট বানানো হয়ে গেলে সেটাকে বসাতে হবে একটা ছোটখাটো টবে বা চারকোনা কোনো বক্সে। এর জন্য ব্যবহার করতে পারো বাহারি পেপারওয়েট। অবশ্য চাইলে তুমি নিজেই তৈরি করে নিতে পারো কাগজের মিনি ফুলদানি।

         —নূসরাত জাহান নিশা

মন্তব্য