kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

টেক টাশকি

তাক বানিয়ে তাক লাগাল

১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাক বানিয়ে তাক লাগাল

‘রোদে কাপড় শুকোতে দিয়েছি। বৃষ্টি শুরু হলে ভেতরে নিয়ে আসিস।’

মায়ের কথাটা এক কান দিয়ে ঢুকে আরেক কান দিয়ে বের করে দেয় লু জিয়েঝেন। এটা-ওটা বানানোর বুদ্ধি যার মাথায় সারাক্ষণ গিজগিজ করে, সে কাপড়ের খেয়াল রাখবে কী করে! ঠিকই শুরু হলো বৃষ্টি। ভিজে গেল শুকনো কাপড়গুলো। যথারীতি একগাদা বকুনি জুটল লুয়ের কপালে। বকুনি খেতে খেতেই মাথায় চাপল আইডিয়া। উটকো বৃষ্টির হাত থেকে শুকনো কাপড় বাঁচানোর জন্য একটা কিছু বানালে কেমন হয়?

চীনের গুয়াংডং প্রদেশের ষষ্ঠ গ্রেডের ছাত্র ১২ বছর বয়সী লু জিয়েঝেন ভাবল, সামনেই তো বিজ্ঞান মেলা। এক ঢিলে দুটো আম পাড়া যাক! সেন্সর, মোটর ও ব্যাটারি জোগাড় করার পর নিজের মতো করে বানিয়ে ফেলল রোবটিক তাকের নকশা। দেখতে আলনার মতোই। তবে এই আলনার মাথায় বুদ্ধি আছে ঢের। বৃষ্টির পানি পড়তেই সক্রিয় হয় ওটার সেন্সর। মেলে থাকা পাইপগুলো গুটিয়ে যায় দ্রুত। আর কাপড়গুলোও চলে আসে স্ট্যান্ডের ছাদনাতলায়।

লু’র বুদ্ধিমান স্ট্যান্ডটি আবার কাপড় ভেজা নাকি শুকনো সেটাও বুঝতে পারে। কাপড় পুরোপুরি শুকানোর আগেই যদি বৃষ্টি আসে, তবে বৃষ্টি থামলে আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে যাবে আলনাটা। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে আবার গুটিয়ে নেবে নিজেকে। মোট কথা, এমন একটা র্যাক থাকলে কাপড় শুকানো নিয়ে আর কাউকে টেনশনই করতে হবে না।

লু জিয়েঝেনের এই প্রজেক্ট দেখে বিচারকদের আক্কেলগুড়ুম না হয়ে উপায় ছিল না। তাই মেলায় প্রথম পুরস্কারটাও চলে আসে তার হাতে।

বুদ্ধিমান এ তাক নিয়ে বাণিজ্যিক কোনো পরিকল্পনা নেই লুর। এটা সে তার মায়ের কথা ভেবেই বানিয়েছে। অবশ্য সেন্সর আর মোটর নিয়ে তোমাদের যাদের জানাশোনা আছে, তারাও চাইলে এ ধরনের একটা কিছু বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিতে পারো সবাইকে।

     —এফএ নাসের

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা