kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রযুক্তি

টেক টাশকি

এখনকার কম্পিউটার কিবোর্ডগুলোর যে ডিজাইন, সেটা কিন্তু টাইপ করার স্পিড কমানোর জন্যই বানানো হয়েছিল! আবার আগে যখন আধুনিক ইন্টারনেট ছিল না, তখনও ছিল ই-মেইল! প্রযুক্তি জগতের এমন কিছু তাক লাগানো সত্য ঘটনা জানাচ্ছেন নাঈম সিনহা

১০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টেক টাশকি

হার্ডডিস্ক সরাচ্ছেন আইবিএম কর্মীরা

গতি কমায় কোয়ের্টি

পুরনো টাইপ রাইটারে বেশি দ্রুত টাইপ করলে সেটা জ্যাম হয়ে যেত। তাই টাইপ মেশিনের একই রকম অক্ষরগুলোকে দূরে সরিয়ে সাজানো হয় পুরনো আমলের কিবোর্ড। এতে আঙুলকে একদিক থেকে আরেক দিকে ছোটাছুটি করতে হয় বেশি। টাইপে সময়ও লাগে বেশি। কিছু মোবাইল কম্পানি ইচ্ছে করেই কোয়ের্টি (কিউডাব্লিউইআরটি) কিবোর্ড ব্যবহার করে কারণ এর কোডিং সহজ। তবে স্পিড বাড়াতে চাইলে ডেভোরাক কী-বোর্ড ব্যবহার করে দেখতে পারো।

 

৫ মেগাবাইট = ১ টন

আইবিএম ১৯৫৬ সালে র্যামাক (র্যানডম অ্যাক্সেস মেথড অফ অ্যাকাউন্টিং এন্ড কন্ট্রোল) নামে একটি কম্পিউটার বাজারে আনে। ওতে একটা হার্ডড্রাইভ ছিল। মাত্র ৫ মেগাবাইটের হার্ডডিস্কটি ছিল ৫০টি বিশাল অ্যালুমিনিয়াম ডিস্কে তৈরি। ওজন ছিল এক টন। কম্পিউটারটিকে এক মাসের জন্য ভাড়া নিতে গুনতে হতো আড়াই লাখ টাকারও বেশি।

ইন্টারনেটের আগে ই-মেইল

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আধুনিক ইন্টারনেট সাভির্সের আগেও ই-মেইল চালু ছিল। টেলিফোনের তার যুক্ত থাকত মাইক্রোকম্পিউটারের সঙ্গে। নাম ছিল মাইক্রোনেট। মেইল পাঠানো যেত পরিচিতদের নম্বরে। তারাও একইভাবে কম্পিউটারের স্ক্রিনে মেইল চেক করতে পারত।

ডোমেইন ফ্রি

এখন ডটকম ওয়ালা কোনো ডোমেইন কিনতে গেলেই গুনতে হবে ডলার। কিন্তু ১৯৯৫ সালের আগ পর্যন্ত এই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ছিল ফ্রি। ওই বছর নেটওয়ার্ক সলিউশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান ২ বছরের জন্য ১শ ডলার ফি নির্ধারণ করে। তখন অবশ্য কেউ বুঝতে পারেনি এতটা জনপ্রিয় হবে এই ডোমেইন। এখন অবশ্য ডোমেইন ফি-এর ৩০ শতাংশ পায় ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন। ইন্টারনেটের সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যয় হয় ওই টাকা।

 

প্রিন্টারের কালি বাঁচাবে ফন্ট

বিশেষ ফন্ট ব্যবহারের কারণে বাঁচবে প্রিন্টারের কালি। এখানে যুক্তিটা হচ্ছে, পাতলা আকৃতির ফন্ট ব্যবহারে কালি কম খরচ হয়। কয়েক শ পাতায় নিশ্চয় অনেকটাই কালি বাঁচবে। তবে এই পদ্ধতি শুধু ইনকজেট বা পুরাতন কার্টিজ প্রিন্টার ব্যবহারকারীরাই লাভ পাবেন।

উইকিপিডিয়ার রোবট বাহিনী

উইকিপিডিয়ায় সবাই যে যার মতো তথ্য সংযোজন করতে পারে। কিন্তু মনগড়া তথ্য দেওয়ার আশঙ্কা তো আছেই। কে কোন দিক দিয়ে কী লিখে ফেলবে বলা তো যায় না। তাই উইকিপিডিয়াকে থাকতে হয় সজাগ। এই কাজে রয়েছে বিশেষ রোবট, যাদের বলা হয় অনলাইন বট। তারা কোনো পেইজের অস্বাভাবিক পরিবর্তনগুলো দ্রুত সনাক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। উইকিপিডিয়ারই এক হিসাবে দেখা গেছে ৩ কোটি ৮৮ লাখ ১৮ হাজার ১৬২ পেজের দায়িত্বে আছে প্রায় দুই হাজার বট।

তথ্যসূত্র: ইকনোমিক টাইমস

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা