kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবাক পৃথিবী

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরিত্যক্ত বইয়ের পাঠাগার

তুরস্কের রাজধানী আংকারার চানখায়া এলাকায় রয়েছে অদ্ভুত এক পাঠাগার। পরিত্যক্ত বই সংগ্রহ করে বানানো হয়েছে ওটা। কাজটি শুরু করেন ৩২ বছর বয়সী পরিচ্ছন্নতাকর্মী সারহাত বাইতিমুর। বিষয়টি জানাজানি হলে অনেকেই তাঁকে পুরনো বই দিয়ে যেতে শুরু করে। এরপর গত সেপ্টেম্বরে স্থানীয় পয়োনিষ্কাশন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়, সারহাতের সংগ্রহশালা থেকে একটি গণগ্রন্থাগার তৈরির। পুরনো একটি ইট তৈরির কারখানায় নির্মাণ করা হয়েছে পাঠাগারটি। পুরনো ইটের দালানের বিশাল গলিগুলো সাজানো হয়েছে বই দিয়ে। পাঠাগারটিতে ফিকশন, নন-ফিকশন, কমিকসসহ প্রায় ছয় হাজার বই আছে। সায়েন্স রিসার্চের জন্য রয়েছে পুরো একটি আলাদা বিভাগ।

 

হোটেলজুড়ে বই

বেড়ানো হলো আর ইচ্ছামতো বইও পড়া হলো। এই দুইয়ের স্বাদ একসঙ্গে আদায় করতে বইপোকা পর্যটকরা চলে যান পর্তুগালের অবিডোসে। সাজানো-গোছানো অবিডোসের মূল আকর্ষণ ‘দ্য লিটারারি ম্যান’ নামের হোটেলটি। শয়নকক্ষ থেকে রান্নাঘর পর্যন্ত পুরো হোটেলজুড়ে বই আর বই। ৫০ হাজারের বেশি বই আছে এখানে। ২০১৫ সালে নির্মিত ‘দ্য লিটারারি ম্যান’ এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। অতিথিদের জন্য ৩০টি শয়নকক্ষ সাজানো হয়েছে পর্তুগালের বিখ্যাত ৩০ লেখকের বই দিয়ে। কক্ষগুলোর নামও লেখকদের নামে। অতিথিরা চাইলে এখান থেকে বই কিনতেও পারবেন। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বই না নিয়ে অতিথিরা তাঁদের উল্টো সঙ্গে থাকা বই দান করে যান এখানে।

গোটা অবিডোস শহরটিই যেন বিশাল এক পাঠাগার। ৭০০ বছরের পুরনো এ শহরে রয়েছে অসংখ্য ছোটখাটো পাঠাগার ও বইয়ের দোকান। ইউনেসকো ঘোষিত ‘সিটি অব লিটারেচার’ তথা সাহিত্যের শহরের সেরা ২০-এ রয়েছে অবিডোস।

 

—আবদুল্লাহ আল ফারুক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা